কালার্স বাংলায় জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো সংগীতের মহাযুদ্ধ’ নিয়ে এবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে প্রকাশ্যে।মঞ্চে প্রতিযোগীদের সাথে বিচারকদের মতপার্থক্য নিয়ে তুমুল বিতর্ক।রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত এই রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চে বাংলার একঝাঁক তারকারা যোগদান করেন। অন্যতম প্রতিযোগী সৌম্য চক্রবর্তী এবার কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন।
সংগীতের মহাযুদ্ধ রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চে নতুন একটি প্রোমো ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।গত সপ্তাহে সৌম্য বিদায় নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
চলতি সপ্তাহে সৌম্যকে এই সপ্তাহে সাথিয়া ছবির চুপকেসে’ গানটি গাইতে দেখা যাবে।গানের শেষে বিচারক বলেন ‘টেরিফিক (দুর্দান্ত) গেয়েছো কিন্তু তার মধ্যে কোনও লিরিকস ছিল না’। এই নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। সৌম্য সমালোচনা করেন অভিজিৎ।পাল্টা সৌম্য হয়ে কথা বলেন তার মেন্টর।
View this post on Instagram
সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্ট বক্সে সৌম্য লেখেন বাব্বাহ..এ তো দেখি খাসা ব্যাপার। যাক্ আপলোড হয়েছে ক্লিপ্ টা। মজা পেয়েছি।চারজন বিচারককেই বলতে চাইবো এই গানটা খালি গলায় গেয়ে নিজেদের প্রোফাইল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতে। সবাই শুনুক….. পারলে চেষ্টা করুন ন্যাশনাল চ্যানেলে গিয়ে জাজমেন্ট করার। আর ছুপকে কথাটার আসল উচ্চারণ যদি ভুল হয় তাহলে বলতে হবে…… গুলাম আলী খান সাহাব ভুল, অলভিদা গানের প্রথম লাইনও ভুল…. যাইহোক…. শয়তানির একটা লিমিটেশান থাকে। এই চ্যানেল তো ছাড়িয়ে গেলো দেখছি। যাকগে সবাইকে বলে রাখি আমি ক্যুইট করব বলেই বেরিয়েছি।এরকম একটা ঢপের শো, যার সাউন্ড ব্যালেন্সের মা বাবা নেই। টিআরপি, জিআরপি সবকটাই কাপের তলায়। এরকম শো সৌম্য,রাহুল,তীর্থ সুপ্রতীপদের ডিসার্ভ করে না। ভালো হয়েছে বেরিয়ে গেছি। একবার বলেছিলাম ডিয়ার অ্যাডমিনস্। আমার গানের ভিডিও যখন ছাড়তে পারোনি দীর্ঘদিন। তখন কোনো ভিডিওই ছেড়ো না। বাট তোমরা এতটা ভদ্র নও এবং চামড়াটাও এত সৌখিন নয় যে সেসব শুনবে। এক জায়গায় স্ট্রিক্ট থাকো না !!!!’।
পাশাপাশি তার পাল্টা আরো অভিযোগ ‘আজান দিয়ে শুরু করে কীর্ত্তন আমিও গেয়েছিলাম সা রে গা মা পা তে। সুতরাং যে ধর্মীয় আঙ্গিক একটা শো এর প্রথম দিন থেকে প্রকাশ পাচ্ছে বারংবার সেটা আমি ছাড়াও আরে অনেকে বোঝে। আমি বিশ্বাস করি শিল্পীর জাত হয় না। বাট প্রয়োজনে দেখা যাচ্ছে তার ইউজ হয় ভালো মতো।পারলে একটু শিক্ষা বাড়াও আঁতেলস্…… ট্রাই টু বি গুড হিউম্যান বিইং অ্যাট ফার্স্ট’।
এরপরেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন গায়ক নিজে।তাঁকে প্রথমে জোর করে শো ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য করা হয় শো পক্ষ থেকে, এবং ঠিক তার পরের এপিসোডেই তাঁকে এলিমিনেট করে দেওয়া হয়। যদিও সেই নিয়ে আক্ষেপ নেই তাঁর। জানান, বাড়ি ফিরে বরং আনন্দই পেয়েছেন তিনি।





