গোমূত্র ও গোবরই দেশের আর্থিক উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে, এমনই দাবী করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন যে গোমূত্র ও গোবরের মধ্যেই আর্থিক উন্নয়নের চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে। তা সঠিকভাবে প্রয়োগের প্রয়োজন।
গতকাল, শনিবার ভারতীয় পশু চিকিৎসক সংস্থার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন শিবরাজ সিং চৌহান। সেখানেই গবাদি পশু ও তাদের উপকারিতা নিয়ে ভাষণ দেন তিনি। গরুদের সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অনেক গোয়াল ঘর তৈরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবী, গবাদি পশুর থেকে উপকারিতা পেতে হলে সমাজের প্রত্যেকে উদ্যোগ নিতে হবে। এককভাবে সার্বিক উন্নতি সম্ভব নয়, এমনটাই দাবী করেন শিবরাজ সিং চৌহান।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা যদি গরুকে কাজে লাগিয়ে আমাদের ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক তথা দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে চাই, তাহলে তা আসতে পারে গোবর এবং গোমূত্রের হাত ধরেই। বর্তমানে জ্বালানির জন্য কাঠের ব্যবহার কমাতে গোকাষ্ঠই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।”
নিজের এই মন্তব্যের দ্বারা শিবরাজ সিং চৌহান এমনটাই স্পষ্ট করার চেষ্টা করলেন যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার জন্য গবাদি পশুর থেকে প্রাপ্ত গোমূত্র কিংবা গোবরকে সঠিক ভাবে কাজে লাগানোর প্রয়োজন। এই কারণে এই প্রকল্পের জন্য নানান বিশেষজ্ঞদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। কীভাবে এর থেক ক্ষুদ্র কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা কীভাবে এর থেকে লাভবান হতে পারেন, সেই পথ খুঁজে বের করার পরামর্শও দেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।
বলে রাখি, এর আগেও গোমূত্রের উপকারিতা নিয়ে নানা বিধান দিয়েছেন নানান বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা। কেউ কেউ বলেছেন গোমূত্র পান করলে করোনা দূর হয় তো আবার কারোর মতে গোমূত্র ক্যান্সার ঠিক করে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ তো বলেছিলেন যে ‘গরুর দুধে সোনা থাকে’। তাঁর এই তত্ত্ব নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। আর এবার গোমূত্রের দ্বারাই দেশের আর্থিক উন্নয়নের পথ বাতলে দিলেন শিবরাজ সিং চৌহান।





