জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় শো হল ‘ডান্স বাংলা ডান্স’। ফের নতুন মোড়কে সাজিয়ে দর্শকদের শুরু হয়েছে এই শো। এই অতিমারির সময় মানুষকে একটু মনোরঞ্জন করাই হল এই শো-এর মূল উদ্দেশ্য। এই শো-তে নানান প্রতিযোগী তাদের নাচের মাধ্যমে নিজেদের জীবনের নানান দুঃখ-কষ্ট, জীবনের কিছু না পাওয়ার যন্ত্রণা, সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
এই বছর এ শো-এর বিচারকের আসনে রয়েছেন বলিউডের ডান্সিং স্টার গোবিন্দা, বাংলার সুপারস্টার নায়ক জিৎ এবং টলি অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। এছাড়াও প্রতিযোগীদের গুরু হিসাবে একদিকে দেখা যাচ্ছে টলিপাড়ার পরিচিত মুখ ওম সাহানি এবং দেবলীনা কুমার অন্যদিকে দেখা যায় অভিনেত্রী রিমঝিম মিত্র এবং সৌমিলী বিশ্বাসকে।
আরও পড়ুন- দীর্ঘদিন বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে প্রেম করেছেন রণবীর কাপুর, খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই
এবছর সঞ্চালনায় ভূমিকা রয়েছেন অঙ্কুশ হাজরা আর বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। তাদের সঞ্চালনায় এই শো যেন নতুন মাত্রা পেয়েছে। অন্যান্য সপ্তাহের মতোই এই সপ্তাহে শো-য়ের বিশেষ অতিথি হিসাবে হাজির ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
টলিউডে দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় করছেন শ্রাবন্তী-শুভশ্রী। নানান কমার্শিয়াল ছবিতে প্রয়োজনে নাচ করতেও দেখা গিয়েছে তাঁদের। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁরা একসঙ্গে কোনও ছবিতে কাজ করেননি এই দুই সুন্দরী অভিনেত্রী।
এদিনের পর্বে অনুষ্ঠানের দুই প্রতিযোগী অহনা এবং অহনার মা জনপ্রিয় বলিউড ছবি ‘বাজিরাও মস্তানি’র ‘পিঙ্গা দ্যা পরি’ গানে নেচে বিচারকদের মন জয় করে নেন। সেইসময় জিৎ বিচারকের আসনে উপস্থিত দুই নায়িকা শ্রাবন্তী -শুভশ্রী ওই গানে নাচ করার জন্য অনুরোধ জানান।
সেই কথামতোই ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর মঞ্চে দেখা যায় দুই টলি অভিনেত্রীর সুন্দর ডান্স পরফম্যান্স। এদিন শুভশ্রীর পরনে ছিল গোলাপি রঙের একটি গ্রাউন এবং অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর পরনে ছিল সবুজ রঙের একটি আনারকলি সালোয়ার সুট।
তাঁদের এই নাচের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু এরপরই শুরু হয় বিপত্তি। তাদের এই নাচের জন্য প্রশংসা তো করেছেন অনেকেই। তবে এর পাশাপাশি নেটিজেনদের একাংশ তাএর এই নাচের জন্য নানান কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও করেছেন দুই অভিনেত্রীকে।
কেউ কেউ লিখেছেন, “এটা নাচ? এর থেকে আমাদের পাড়ায় দুর্গা পুজোর বিসর্জনের সময় ভালো নাচ হয়।এই নাচ দেখে আবার ওই বিষাক্ত মাল টা ওহ, আহা করছে।জঘন্য একটা শো”। আবার কেউ লিখেছেন, “নাচ এটা? দুটো ডাব্বা ঘুরছে মনে হচ্ছে”। এই ধরণের নানান কটাক্ষ উড়ে এসেছে শুভশ্রী ও শ্রাবন্তীর দিকে।





