কোথা থেকে কি যে হয়ে গেল তা কেউ এখনো বুঝতে পারছেন না। সুশান্ত সিং রাজপুত এর মতো প্রতিভাবান এক তরুণ যে এইভাবে জীবনে হার মেনে যাবে তা মানতে পারছেন না কেউই। কিন্তু তার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর ব্যবহার আরো বেশি সন্দেহের উদ্রেক করছে মানুষের মনে। সুশান্তর আত্মহত্যার খবরে যখন সবাই স্তব্ধ তখন ইনস্টাগ্রামে দিব্যি এক্টিভ রয়েছেন রিয়া। না, সুশান্তকে নিয়ে কোন পোস্ট দেওয়ার জন্য নয়। তাঁর কোনও হেলদোলই নেই এই খবর নিয়ে। নিজের বিকিনি পরিহিতা প্রমোশনাল পোস্ট দিতে তিনি ব্যস্ত। তারপরই আরমান মালিকের ইউটিউবের একটি গানের লিংক শেয়ার করে তিনি হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন ফেভরিট জ্যাম। নিজের বন্ধু মারা গেল কিছুক্ষণ আগে তাও আত্মহত্যা করে,যে খবর গোটা দুনিয়ায় তখন ছড়িয়ে পড়েছে রিয়ার কানে পৌঁছায়নি এ একপ্রকার অসম্ভব। তারপরেও তাঁর বর্তমান বান্ধবী হয়ে তিনি কি করে এ কাজগুলো করছিলেন এর উত্তর দিতে পারছেন না কেউই।

অবসাদে ভুগছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। আর সেই অবসাদ থেকেই নাকি আত্মহত্যা, প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। ইতিমধ্যেই ময়না তদন্তের জন্য মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সুশান্তের দেহ। ময়নাতদন্তের পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে ঠিক কোন সময় মৃত্যু হয়েছে সুশান্তের। সুশান্তের ফ্ল্যাট থেকে কোনও রকম সুইসাইড নোট মেলেনি,জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার সকালে সুশান্তের পরিচালক পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে সুশান্তের দেহ উদ্ধার করে।আনুষ্ঠানিকভাবে সুশান্ত বা রিয়া কোনদিনও স্বীকার করেননি যে তাঁরা একে অপরের পার্টনার। কিন্তু তাদের সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ দেখে একথা বুঝতে কারো অসুবিধা হয়নি। চলতি বছর জানুয়ারিতে সুশান্তের জন্মদিনে রিয়ার আবেগঘন পোস্ট বুঝিয়ে দিয়েছিল তিনি সুশান্তের জীবনে কতটা। সুশান্তের সঙ্গে দুটো রোম্যান্টিক ছবি পোস্ট করে রীহা লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন মানব সভ্যতার সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে বিশাল ব্ল্যাক হোল। এ ভাবেই এগিয়ে যাও সুশান্ত। সোনা দিয়ে মোড়া তোমার মন’। সেখানে সুশান্তের আত্মহত্যার পরে রিয়ার এই আচরণ মানতে পারছেন না কেউই।
লকডাউন শুরুর আগে পাপারাতজিদের ক্যামেরায় বন্দি হন সুশান্ত ও রিয়া। তার তিন মাস পরে নিজের সঙ্গীর মৃত্যুতে এতটা নির্লিপ্ততা বিভিন্ন রকম সন্দেহ জাগাচ্ছে মানুষের মনে।





