তিথি বসুর বাবা কি সত্যিই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী? ‘মা’-এর ঝিলিকের সঙ্গে ব্রাত্য বসুর সম্পর্ক কী? অবশেষে খোলসা করলেন অভিনেত্রী!

ছোটবেলা থেকেই ধারাবাহিক ‘মা’-এর ‘ঝিলিক’ চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিথি বসু। সেই সময় থেকে দর্শকরা তাঁকে এখনো ‘ঝিলিক’ হিসেবে মনে রাখেন। যদিও বর্তমানে তিথি লাইট-ক্যামেরা অ্যাকশন থেকে দূরে আছেন, তবু তাঁর জীবনের এক ভুল ধারণা দর্শকমহলে এখনও প্রচলিত। অনেকেই মনে করেন, তিথি বসু রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ও অভিনেতা-পরিচালক ব্রাত্য বসুর কন্যা। তবে এই ধারণা একেবারেই সঠিক নয়, দাবি করছেন তিথি নিজেই।

তিথি বসু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে দর্শকরা তাঁকে ব্রাত্য বসুর মেয়েস্বরূপ ভাবছেন। তিথির কথায়, “আমার সত্যিই কৌতূহল, কখন থেকে মানুষের মধ্যে এই ভুল ধারণা জন্মেছে। আমি ওঁর সঙ্গে কখনও পরিচিতই নই, দেখা-সাক্ষাৎও হয়নি। শুধু ছোটবেলায় ব্রাত্য বসুর কিছু সাক্ষাৎকার দেখেছি, এ পর্যন্ত।” তবে তিথি নিজেকে এ নিয়ে হালকাভাবে দেখেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকেই তাঁর মুখের গঠন এবং ব্রাত্য বসুর মুখের মধ্যে মিল খুঁজে পেয়েছেন। কেউ কেউ এটাও ধরে নিয়েছেন যে যেহেতু দুজনেই থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত, তাই তিথি নিশ্চয়ই ব্রাত্য বসুরই কন্যা। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, “যদি কখনও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়, সেদিন আমি অবশ্য তাঁকে সরাসরি জিজ্ঞেস করব, আপনার কি কোনও কন্যা আছে? থাকলে একবার তাঁকে দেখা চাই।” এই ধরনের মন্তব্য দর্শকদের মধ্যে এখনো খুবই জনপ্রিয়।

এছাড়াও তিথি বলেছেন, শো বা অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় দর্শকরা প্রায়ই তাঁর বাবাকে চিনেন এবং বলেন, “আমরা কিন্তু আপনার বাবাকে চিনি, ব্রাত্য বসু তো? খুব ভাল মানুষ।” তিথি এ মন্তব্যের জবাবে সদাসর্বদা বলেন, “না,” তবু দর্শকরা বিশ্বাস করতে চান না। তিথির হাসিমুখ এবং ভদ্রতার কারণে এই সব ভুল ধারণা কখনও উত্তেজনা সৃষ্টি করে না। এই প্রসঙ্গে তিনি দর্শকদের সঙ্গে মধুর আচরণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্বও ব্যাখ্যা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ “দেওয়াল মুছতেই হাম*লা!” সাপ্লিমেন্টারি তালিকার আগেই দুর্গাপুরে কমিশন কর্মীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা!

সাক্ষাৎকারে তিথি সোশ্যাল মিডিয়ার ইনফ্লুয়েন্সারদের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ভাইরাল হওয়া মানেই ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া নয়। “নিজের জন্যও এবং সমাজের জন্যও দায়িত্ব থাকা জরুরি। এমন পোস্ট করা উচিত নয় যা নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে,” বলেছেন তিথি। তিনি আরও বলেন, সত্য ও প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে কথা বললেও কখনও ট্রোলের শিকার হতে হয়, তবে সৎ থাকা সবসময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত নৈতিকভাবে সঠিক থাকা ও ভালো মানসিক অবস্থায় থাকা আসল বিজয়।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles