ফের ছন্দপতন, চিরনিদ্রার দেশে ‘বালিকা বধূ’ খ্যাত দাদিসা সুরেখা সিক্রি। আজ, শুক্রবার সকালে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। গত বছর একবার ব্রেন স্ট্রোক হয় প্রয়াত অভিনেত্রীর। তিনবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
এদিন প্রয়াত অভিনেত্রীর ম্যানেজার তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আনেন। তিনি জানান, “তিনবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সুরেখা সিক্রি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে মারা গেল শুক্রবার সকালে ৭৫ বছর বয়সে। দ্বিতীয়বার ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। আজ সকালে পরিবার ও পরিচারকদের উপস্থিতিতেই তাঁর মৃত্যু হয়। এঁর পরিবার এই সময়টা একটু নির্জনে কাটাতে চান। ওম সাই রাম”।
দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন সুরেখা সিক্রি। তবে তাঁর শৈশব কেটেছে আলমোরা ও নৈনিতালে। তাঁর বাবা ছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর একজন সেনা অফিসার। ১৯৬৮ সালে ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে নাট্যতত্ত্বে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন সুরেখা।
এরপর ১৯৭৮ সালে ‘কিসসা কুর্সি কা’ ছবি দিয়ে বলিউডে ডেবিউ করেন সুরেখা সিক্রি। এরপর একাধিক ছবি ও ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সহ-অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ‘তমস’, ‘মাম্মো’, ও ‘বাধাই হো’ ছবির জন্যই পান জাতীয় পুরস্কার। শেষ তাঁকে দেখা গিয়েছিল জোয়া আখতারের ‘ঘোস্ট স্টোরিস’ ছবিতে। এছাড়াও ‘রেইনকোট’, ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আইয়ার’, ‘জুবায়েদা’ নানান ছবিতে তাঁর অভিনয় বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও, টেলিভিশনেও অনেক কাজ করেছেন তিনি। ‘বালিকা বধূ’ ধারাবাহিকে দাদিসার চরিত্রে তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসিত। এছাড়াও, ‘মা এক্সচেঞ্জ’, ‘এক থা রাজা এক থি রানী’, ‘সাত ফেরে’, ‘পরদেশ মে হ্যায় মেরা দিল’ ধারাবাহিককেও কাজ করেছেন সুরেখা সিক্রি।a





