মাঝে আর একটা দিন। তারপরই মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে শুরু হবে দেবীপক্ষ। মহালয়ার দিন অনেকেই পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে গঙ্গাঘাটে গিয়ে তর্পণ করেন। গত দু’বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে সেই জাঁকজমক কিছুটা কম হলেও, এই বছর সেই চেনা ভিড় লক্ষ্য করা যাবে ঘাটে ঘাটে। গোটা বছর সুখে-শান্তিতে থাকার জন্য এই দিনটিতে বিশেষ কিছু কাজ করা প্রয়োজন। মহালয়ার পুণ্যলগ্নে কোন কাজগুলি করবেন বা কোন কাজগুলি একেবারেই করবেন না, তা একবার জেনে নেওয়া যাক।
জীবনে সুখী হতে চাইলে মহালয়ার দিন ভুলেও এই কাজগুলি করবেন না-
- যিনি তর্পণ করবেন, এদিন তিনি ভুলেও চুলদাঁড়ি কাটবেন না।
- মহালয়ার দিন কোনও শুভকাজের না শুরু করাই ভালো। যেমন এই দিনটিতে কারও বিয়ের কথা বলবেন না। বাড়ি বা গাড়ি না কেনাই ভালো এদিন। এদিন ব্যবসার সূচনা করাও উচিত নয়।
- মহালয়ার দিন ধূমপান কিংবা মদ্যপান করাও উচিত নয়।
- এদিন আমিষ খাওয়া উচিত নয়।
- এদিন প্রিয়জনের ছবির সামনেও আমিষ খাবার দেবেন না।
মহালয়ার দিন কোন কাজগুলি অবশ্যই করা উচিত-
- এদিন বেশ ভোরবেলা এদিন ঘুম থেকে উঠে পড়ুন।
- পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ যাঁরা করবেন, তাঁরা অবশ্যই ধুতি পরবেন। পারলে ভোরবেলাই গঙ্গার ঘাটে যান। অবশ্যই খালিপেটে তর্পণ করবেন।
- যাঁরা তর্পণ করতে পারবেন না, তাঁরা পিতৃপুরুষের ছবিতে মাল্যদান করে প্রিয় খাবার দিতে পারেন।
- এদিন পশুপাখিদের খাবার খাওয়াতে পারেন।
- পারলে এই দিনটিতে দানধ্যান করুন। দরিদ্রদের খাবার কিংবা পোশাক দিতেই পারেন এদিন।
- এদিন বিষ্ণুর নাম জপ করতে পারেন। এছাড়া রামায়ণ, মহাভারত অথবা গীতা পাঠ করতে পারেন এদিন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার