বাংলাদেশে প্রবেশ করেই ফের ভয়ঙ্কর ‘ফণী’। মৃত অন্তত ১৫৷

ওড়িশা উপকূলে গতকাল বিধ্বংসী রূপ নিয়ে আছরে পরেছিল এক্সট্রিমলি সিভিয়ার সাইক্লোন ‘ফণী’। ঘন্টায় ২০০ কিমি গতিবেগে ওড়িশাতে তান্ডব চালানোর পর পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার পূর্বেই অনেকটা শক্তি হারিয়ে দুর্বল হয়ে পরে ‘ফণী’। ফলে ওড়িশা তছনছ হলেও পশ্চিমবঙ্গে তেমন প্রভাবই পেলতে পারেনি ‘ফণী’।

আরও পড়ুন – ওড়িশা কার্যত এখন ধ্বংসস্তূপ। তারমধ্যেই নতুন করে পথ চলার চেষ্টা।

ওড়িশায় তান্ডব চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গের দিঘা-তে প্রবেশের সময় ‘ফণী’ এর গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিমি., যা আশঙ্কার তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। ‘ফণী’ এর প্রভাবে কিছু দুর্বল বাড়ি ভেঙে পরা এবং কিছু গাছ ভেঙে পরা ছাড়া আর বিশেষ কোনো ক্ষয়ক্ষতি এই রাজ্যে হয়নি। এরপরই আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে অনুমান করা হয় যে শক্তি হারিয়েছে ‘ফণী’। বাংলাদেশে এক সাধারণ ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই প্রবেশ করবে সে৷ কাজেই বাংলাদেশে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হবেনা বলেই জানিয়েছিলেন আবহাওয়া বিদ-রা৷

 

কিন্তু আবহাওয়াবিদদের এই অনুমান ভুল প্রমাণিত করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেই ফের বিধ্বংসী হয়ে উঠলো ‘ফণী’৷ ইতিমধ্যেই ‘ফণী’ এর দাপটে বাংলাদেশে ১৫ জনের মৃত্যু খবর মিলেছে৷ আজ দুপুরের দিকে পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ‘ফণী’। এরপরই বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে শক্তি বাড়িয়ে আছড়ে পরে ‘ফণী’।

আরও পড়ুন – পুরীতে তান্ডব শুরু ‘ফণী’-এর। বিদ্যুতহীন গোটা পুরী।

এখনও অবধি পাওয়া খবরে বাংলাদেশে প্রায় ৩৭ টির মতো উপকূলবর্তী গ্রাম প্লাবিত করেছে ‘ফনী’। নোয়াখালিতে ‘ফণী’ সবচেয়ে বেশি আঘাত এনেছে৷ ভেঙে পরেছে একের পর এক দুর্বল বাড়ি। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১৫ জনের। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকারের তরফে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে, তবুও ‘ফণী’-র জেরে মৃত্যু ছাড়াও আহত হয়েছেন প্রায় আরও একশত মানুষ৷ আবহাওয়া বিদ-দের মতে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলে প্রবেশ করে ফের কিছুটা সমুদ্র মুখী হয়ে গিয়েছিল ‘ফণী’। যার ফলেই ফের শক্তি বাড়িয়ে নিজের বিধ্বংসী রূপ নিয়ে আজ দুপুরের পর বাংলাদেশে আছড়ে পরে ‘ফণী’৷

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles

Leave a Comment