ফিরল সেই চেনা ছবি! ধর থেকে আলাদা মাথা, বাংলাদেশে একের পর এক দুর্গামূর্তি ভাঙছে মুসলিমরা, ছবি দেখলে শিউড়ে উঠবেন

আর চারদিন পরই শুরু দুর্গাপুজো। মাতৃবন্দনার প্রস্তুতি দিকে দিকে। একদিকে যখন এপার বাংলা সেজে উঠেছে নানান সুন্দর সুন্দর মণ্ডপে, চলছে দেবী আরাধনার শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি, সেই সময় ওপার বাংলার ছবিটা এক্কেবারে আলাদা। সেখানে মাতৃ বন্দনা তো দূর, ভেঙে ফেলা হচ্ছে একের পর এক দুর্গামূর্তি। ফের বাংলাদেশে ফিরল সেই একই ছবি।

বাংলাদেশের নানান জায়গা থেকে খবর মিলছে যে সেখানে নানান জায়গায় পুজোর উদ্যোক্তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুজো করলে এলাকাছাড়া করা হবে, এমন হুমকি দেওয়া হচ্ছে হিন্দুদের। বাংলাদেশের নানান সংবাদমাধ্যমে দাবী করা হয়েছে, দুর্গাপুজো করতে চাইলে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে হিন্দুদের। এমনকি চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, এই চিঠির বিষয়ে যদি প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ বা গণমাধ্যমে জানানো হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে।

মূর্তি ভাঙার ছবি শেয়ার করেছেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। পোস্টে তিনি দাবী করেছেন, “পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেও শেষ রক্ষা হল না, এবার রাতের আঁধারে ঢাকা জেলার ধামরাই থানার দক্ষিণ পাড়া সার্বজনীন কালী মন্দিরে কার্তিক ও দুর্গা প্রতিমার হাত এবং গণেশ প্রতিমার শুঁড় ভাংচুর”। তারিখ হিসেবে বলা হয়েছে, ৪ অক্টোবর মধ্যরাত। এই পোস্টটি শেয়ার করে তসলিমা লেখেন, “যে মুসলমানদের মূর্তি পাহারা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল, তারাই এসে মূর্তি ভেঙ্গে যাচ্ছে”।

অন্য একটি পোস্টও তসলিমা শেয়ার করেছেন, সেটি বাকেরগঞ্জ বরিশালের শ্যামপুরের। সেখানে একজন দাবী করেছেন, তাঁর বাড়ির দেবীমূর্তির উপর হাত পড়েছে। ছবিতে দেখা গিয়েছে, দুর্গা ঠাকুর থেকে কার্তিক, কারোরই ধরের সঙ্গে মাথা নেই। গোটা জায়গাটা ভাঙচুর করা হয়েছে।

বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর এমন আশঙ্কাই হয়েছিল যে ওপার বাংলায় এবার হিন্দুদের পরিস্থিতি খারাপ হতে চলেছে। কিছুদিন আগে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউসুন বাংলাদেশের দায়িত্বভার নিলে মনে করা হচ্ছিল যে হিন্দু বা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হয়ত হবে না। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশে।   

আরও পড়ুনঃ নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় মৃতদেহ সংরক্ষণের দাবী অগ্নিমিত্রার, তৃণমূল সাংসদকে দেখেই উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, রণক্ষেত্র জয়নগর

ইউনুস নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এও বলেছিলেন যাতে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু যা দেখা যাচ্ছে, ওপার বাংলায় হিন্দুদের অবস্থা আগের থেকেও বেশি শোচনীয় হয়ে গিয়েছে।   

RELATED Articles