বাঙালি থেকে অবাঙালি সকলের পছন্দের তালিকায় যুক্ত হয়ে গেছে বিরিয়ানির (Biriyani) নাম। একটা সময় মানুষ পোলাও, ফ্রাই রাইসের কথা বলতেন পছন্দের খাবার হিসেবে, কিন্তু বর্তমানে এই দুই পদের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে মোগলাইখানা বিরিয়ানিও আর সেই বিরিয়ানিতেই কিনা মেশানো হচ্ছে বিষ! হ্যাঁ চমকে উঠলেও এটাই সত্যি! বিরিয়ানির খাবারে দিনের পর দিন বিষ (Poision) মেশানো হচ্ছিল! জানতে পেরেই তড়িঘড়ি হস্তক্ষেপ করল প্রশাসন। এই তথ্য সামনে আসতেই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বিরিয়ানিপ্রেমীদের মধ্যে।
বিরিয়ানির মধ্যে স্বাদ যেমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বিরিয়ানির রংটাও ভীষণরকমভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যে কারণে বিরিয়ানিতে রং ফোটাতে হলুদ,কেশর ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু রাজ্যের একটি ফাস্টফুডের দোকানে হলুদের পরিবর্তেই দিনের পর দিন বিষ মেশানো হচ্ছিল। একটি হলুদ রঙ আছে যে রঙটিকে শিল্পের জন্য ব্যবহার করা হয়, খাবারে ব্যবহারের ক্ষেত্রে রীতিমতো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অথচ দিনের পর দিন সেই রঙকেই ব্যবহার করা হচ্ছিল বিরিয়ানিতে।
যে জায়গায় বিরিয়ানির দোকানটি আছে, সেখানেই বিগত বেশ কয়েক দিন ধরে পেটের রোগে ভুগছিলেন মানুষজন। একই পেটের সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন সবাই! কেন এইভাবে একটি অঞ্চলের মধ্যেই রাতারাতি পেটের রোগ বেড়ে গেল তা জানতে উদ্যোগী হয়ে ওঠে সেই অঞ্চলের পৌরসভা। তারা রীতিমত খোঁজ খবর করতে শুরু করে দেন। প্রথমে তারা সন্দেহ করেন জল থেকে এই রোগ ছড়াচ্ছে, কিন্তু পরবর্তীতে তারা ফাস্টফুডের দোকানগুলোর খাদ্যগুণ নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন।
এরপর একটি ফাস্টফুডের দোকানে গিয়ে পুরসভা স্বাস্থ্যকর্মীরা দেখতে পান হলুদের বিকল্প হিসেবে বিরিয়ানিতে এমন একটি হলুদ রঙ মেশানো হচ্ছে যা মানুষের খাদ্য হিসেবে বিবেচ্য নয়। যে হলুদ রঙ গেঞ্জিতে ব্যবহার করা হয় সেই রঙ কেন খাবারে মেশাচ্ছিলেন তারা? এই প্রশ্ন করলে দোকানদার গুলাম হোসেন বলেন, খাবারে মেশানো যায় এমন হলুদ রঙই বিরিয়ানিতে মেশানো হত, সেই রঙটি শেষ হয়ে যাওয়াতে কিছুদিন আগে শিল্পে ব্যবহার করার এই রঙ কিনে নিয়ে আসা হয়।
এরপর আর কথা না বাড়িয়ে সাতশো টাকা জরিমানা করে তড়িঘড়ি সেই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয় পুরসভার তরফ থেকে। পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস এই প্রসঙ্গে বলেন, “মানুষকে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে। এইসব ফাস্টফুডের দোকানের কোনও ফুড লাইসেন্স নেই। অখাদ্য কুখাদ্য খাইয়ে মানুষ মারার চক্র চলছে এর বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। শুধু বিরিয়ানি নয় ফুচকাতেও চায়না কেমিক্যাল মেশানো হচ্ছে”। উল্লেখ্য কোন্নগরের চলচিত্রম মোড়ের কাছে একটি ফাস্টফুডের দোকানে এই ঘটনাটি ঘটেছিল।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!