New Demand of Bangladeshi Protesters: গতকাল, সোমবারই প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। শাসকবিহীন অবস্থায় রয়েছে আপাতত ওপার বাংলা। বর্তমানে বাংলাদেশ রয়েছে সেনাবাহিনীর দখলে। সেনা প্রধানের নির্দেশেই পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন হাসিনা। কিন্তু হাসিনা দেশ ছাড়ার পরও বাংলাদেশে বিক্ষোভ থামছে না (New Demand of Bangladeshi Protesters)।
গতকাল, সোমবার হাসিনা দেশ ছাড়ার পর সেনা প্রধান বিএনপি, জামাত-সহ আওয়ামি লিগ বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন। কিন্তু বাংলাদেশে এরপরও বিক্ষোভ চলছেই ছাত্র আন্দোলনকারীদের। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর তো আন্দোলন থেমে যাওয়ার কথা, তারা তো তেমনটাই চেয়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ছাত্ররা (New Demand of Bangladeshi Protesters)?
জানা গিয়েছে, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়করা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে সেনা শাসিত সরকার তারা মানবেন না। এমনকি, রাষ্ট্রপতি শাসনও মানবেন না তারা। গতকাল, সোমবার রাতে ছাত্ররা জানিয়েছিলেন যে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তারা জানাবেন যে পরবর্তী সরকারের রূপরেখা কী হবে (New Demand of Bangladeshi Protesters)।
আজ, মঙ্গলবার ভোর হতে না হতেই নিজেদের দাবী জানান আন্দোলনকারীরা (New Demand of Bangladeshi Protesters)। তাদের কথায়, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ডঃ মহম্মদ ইউনুসকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে চান তারা। ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা অম্যত্ম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এদিন জানান, ইউনুসকেই উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পক্ষে তারা।
তাদের এই দাবীতে সায় দিয়ে ইউনুস জানান, শেখ হাসিনা ইস্তফা দেওয়ার পর বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। হাসিনাকে ‘স্বৈরশাসক’ আখ্যা দিয়ে নোবেলজয়ী বলেন, “আজ বাংলাদেশের সব মানুষ নিজেদের স্বাধীন মনে করছে”। তাঁর কথায়, “আমরা এখন নতুন করে শুরু করতে চাই এবং আমাদের জন্য একটি সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে চাই” (New Demand of Bangladeshi Protesters)।
সূত্রের খবর, গতকালও হিংসা ছিল বাংলাদেশে। ২১ জুলাই থেকে বাংলাদেশে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪০০-এর বেশি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবারের সংঘর্ষে বাংলাদেশে মৃত্যু হয়েছে ১০৯ জনের। রাজধানী ঢাকাতে অন্তত ১৩টি পুলিশ স্টেশনে হামলা হয়েছে গতকাল। বাংলাদেশের দু’টি কারাগারে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।






