‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে প্রতিদিনই বদলাচ্ছে সমীকরণ। কেউ নিজের পুরনো কৌশলেই খেলছেন, আবার কেউ পরিস্থিতি বুঝে বদলে ফেলছেন গেম প্ল্যান। তনুশ্রী রায় দাসকেও এখন এমনই এক কৌশল নিতে দেখা যাচ্ছে। কখনও এক প্রতিযোগীর কথা অন্যজনের কাছে বলছেন, আবার কখনও আলোচনার মধ্যে এমন কিছু তথ্য তুলে ধরছেন, যা থেকে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। এবার তাঁর কথাবার্তার কেন্দ্রে উঠে এসেছে নন্দিনী দত্ত এবং সৃজলা গুহর সম্পর্ক।
দাদার দরবারের পর রাতে খাওয়ার সময় একসঙ্গে বসেছিলেন নন্দিনী এবং তনুশ্রী। সেই সময় সৃজলাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। নন্দিনী জানান, সৃজলাকে তিনি পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। তাঁর কিছু আচরণ ভালো লাগে এবং কিছু বিষয়ে নিজের সঙ্গে মিলও খুঁজে পান। তবে সৃজলা সত্যিই কতটা ভালো, তা নিয়ে তাঁর প্রশ্ন রয়েছে। তনুশ্রীও এ প্রসঙ্গে খুব বেশি কিছু বলেননি। পরে নন্দিনী সৃজলার সঙ্গে তাঁর মজার ঘটনার কথা তুলে বলেন, সৃজলা বিষয়টি কষ্ট পেলেও পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলেন।
এরপর কথার প্রসঙ্গ ঘুরে যায় রাজবীরকে নিয়ে। নন্দিনী তনুশ্রীর কাছে রাজবীরের হয়ে কথা বলেন এবং জানান, রাজবীর তাঁকে ভালোবাসে। তনুশ্রী পাল্টা বলেন, রাজবীরের সঙ্গে তাঁর কথা হয়, আবার তাঁদের মধ্যে ঝগড়াও হয়। এরপর জীতু কামাল এবং ভরত কলকে নিয়েও দুজনের মধ্যে আলোচনা চলে। পরে সেই আড্ডায় যোগ দেন রাজবীরও। কিন্তু রাত বাড়তেই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। আলো নিভে যাওয়ার পর সোনামণি সাহা, নন্দিনী এবং সৃজলা একসঙ্গে বসে কথা বলছিলেন।
সেই সময় সৃজলা হঠাৎ নন্দিনীকে প্রশ্ন করেন, তনুশ্রী কি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সৃজলা সত্যিই ভালো নাকি অভিনয় করছেন? প্রশ্ন শুনেই নন্দিনী তা অস্বীকার করেন। বরং তিনি জানতে চান, এই কথা তনুশ্রী সৃজলাকে বলেছেন কি না। সৃজলা মজার ছলে বলেন, তিনি স্বপ্নে এই কথা শুনেছেন। এরপর নন্দিনী জানান, তিনি বিষয়টি নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেবেন না এবং তনুশ্রীর কথাবার্তাও তিনি লক্ষ্য করছেন। ফলে তনুশ্রীর বলা কথাগুলি দুই প্রতিযোগীর মধ্যে নতুন করে সন্দেহ তৈরি করতে পারে বলেই মনে হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘ভীষণ ট্যালেন্টেড ছিল, তবে অল্পতেই মাথা গরম হয়ে যেত’ মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই কেন পর্দার অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন, নাকি যেতে হয়েছিল? কী ছিল কারণ? মিঠু মুখার্জির প্রয়াণে স্মৃতিচারণায় দীপঙ্কর দে, সামনে আনলেন কোন সত্যি?
‘বিগ বস বাংলা’ শুরু হয়েছে ৩০ আগস্ট থেকে। সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় এই মরশুমে রয়েছেন দুর্নিবার সাহা, ভরত কল, নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলম গুপ্ত, সোনামণি সাহা, তনুশ্রী রায় দাস, মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ, সোহিনী পাল, দীপেন্দু বিশ্বাসসহ আরও অনেকে। অনিন্দ্য সেনগুপ্তের পর ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে ঘরে প্রবেশ করেছেন রাজবীর দে এবং পরে জীতু কামালও যোগ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই জয়িতা চ্যাটার্জি, অ্যালেক্সজান্দ্রা টেলর এবং সায়ক চক্রবর্তী খেলা থেকে বাদ পড়েছেন। এখন তনুশ্রীর এই নতুন কৌশলের প্রভাব ঘরের সম্পর্কগুলিতে কতটা পড়ে, সেটাই দেখার।






