স্বপ্নের সময় চলছে এশিয়ার শ্রেষ্ঠ মুকেশ আম্বানির টেলিকম সংস্থার জিও’র। অধিকাংশ সংস্থাই যখন ব্যবসায় প্রবল মন্দার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তখন জিও-তে পরপর বিদেশি সংস্থার বিনিয়োগের খবর চমকে দিচ্ছে দেশের প্রতিটি সংস্থাকেই ৷
ফেসবুক, জেনারেল অ্যাটলান্টিক, সিলভার লেক, ভিস্তা ইক্যুয়িটি পার্টনার্স এবং কেকেআর-এর পর এবার মুবাডালা ৷ জিও-র ১.৮৫ শতাংশ শেয়ার কিনতে ৯,০৯৩.৬ কোটি টাকা ঢালতে চলেছে আবু ধাবির এই সংস্থা৷ রিলায়েন্সের ডিজিটাল ইউনিট এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত ৮৭,৬৫৫ কোটি টাকা বিদেশি বিনিয়োগ আনতে সফল ৷

মুবাডালার মোট সম্পদ এখন ২২৯ বিলিয়ন ডলার ৷ সংস্থার ইক্যুয়িটি ভ্যালু ৪.৯১ লক্ষ কোটি টাকা এবং এন্টারপ্রাইজ মূল্য ৫.১৬ লক্ষ কোটি টাকা। দীর্ঘ দিনের লকডাউনের খারাপ প্রভাব বিশ্বজুড়েই ব্যবসা-বাণিজ্যেই পড়েছে ৷ অধিকাংশ সংস্থাকেই এ ক’দিনে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে ৷ রিলায়েন্সের আয়ের অধিকাংশই আসে যে ব্যবসায়, সেই পেট্রোকম ব্যবসার ছবিটা এখন গোটা বিশ্বেই অত্যন্ত খারাপ ৷ বাজারে তেলের চাহিদা না থাকায়, তেলের দাম একেবারেই তলানিতে ৷
এই অবস্থায় রিলায়েন্সের ভরসাও এখন সংস্থার অন্যান্য ব্যবসা ৷ জিও এই মুহূর্তে সবচেয়ে লাভজনক অবস্থায় রয়েছে ৷ লকডাউনের মধ্যেও গত অর্থ বর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে জিও-র ফলাফল খুবই ভাল ৷ করোনা সংকটে বিশ্বজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় বন্ধ। তারই মধ্যে এতগুলি বিদেশি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল রিলায়েন্স জিও। বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, জিও এখন বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় ডিজিটাল ব্র্যান্ড। তাই একে ঘিরে আগ্রহও তৈরী হয়েছে বিদেশি লগ্নিকারীদের মধ্যে।





