এই লকডাউনের বাজারে মানুষের আয় যেমন থমকে গেছে তেমনি দেশের অর্থনীতিও ক্রমশ নিম্নমুখী। লকডাউনের জন্য বন্ধ হয়েছে কারখানা, অফিস, উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি। টান পড়ছে দেশের কোষাগারেও। আগের অৰ্থনীতি বছর শেষ হলেও লকডাউনের জেরে এখন প্রায় সবই স্থগিত হয়ে গেছে।
কিন্তু এরই মধ্যে বন্ধন ব্যাংক নিজের অর্থের স্টকের সব তথ্য প্রকাশ করল। সেবির (SEBI) নিয়ম অনুযায়ী, আজ বন্ধন ব্যাঙ্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তাদের আমানত, মোট প্রদেয় ঋণ ও অন্যান্য আর্থিক খুঁটিনাটি বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছে। ওই নোটিশ এ বলা হয়েছে যে সদ্য সমাপ্ত আর্থিক বছরে বন্ধন ব্যাঙ্কের আমানত বেড়েছে ৩২ শতাংশ। ব্যাঙ্কের মোট আমানতের হিসেব ৫৭,০৭৩ কোটি টাকা।
সোমবার বন্ধন ব্যাঙ্কের তরফে স্টক এক্সচেঞ্জে জানানো হয়েছে, তাদের মোট আমানতের ৭৮.৪ শতাংশই হল রিটেল ডিপোজিট। গত আর্থিক বছরে যা ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৩১ মার্চ ২০২০ যার পরিমান দাঁড়িয়েছে ৪৪,৭৬০ কোটি টাকা। গত আর্থিক বছরের শেষে বন্ধন ব্যাঙ্কের মোট আমানত ৪২ হাজার ২৩২ কোটি টাকা। বছরে মোট ঋণ এবং অগ্রিম টাকার হিসাবে (বুক এবং অফ বুক) ৬০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৮২৫ কোটি টাকা।
মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত (adequacy ratio) 26.7% এ দাঁড়িয়েছে।৩১ মার্চ ২০২০ অবধি ব্যাংকের কাছে লিকুইডিটির পরিমান ৮৪০২ কোটি টাকা এবং প্রয়োজনে ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাংকের কাছ থেকে আরো ১৮১৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত নিতে পারবে প্রান্তিক স্থিতিশীল সুবিধা প্রকল্পের (প্রান্তিক স্থিতিশীল সুবিধা প্রকল্পের) আওতায়।
চলতি লকডাউনের কারণেও মাইক্রোব্যাঙ্কিং ব্যবসায় তেমন আঁচ পড়েনি। মাইক্রোব্যাঙ্কিং আমানত স্থিতিশীল এবং মজবুত।






