অফিস টাইমে কলকাতার যানজট চোখে পড়ার মতো। নিজের বড় বড় ইচ্ছে পূরণ করতে ছোট অনেক কাজ করতে হয় অনেক সময়। তেমনই উদাহরণ দেখা গেল কলকাতার রাস্তায়। একজন সাধারণ জ্যোমাটো ডেলিভারি বয় (Zomato delivery boy), নিজের স্বপ্ন পূরণের লড়াই লড়ছেন আজও। ডেলিভারি দেওয়ার ফাঁকে তিনি নিজের স্বপ্ন পূরণের অভ্যাসে এগিয়ে যান একটু একটু করে।
ইউপিএসসি পরীক্ষা অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির মধ্যে একটি। এই পরীক্ষায় সফল হতে লাগে কঠিন পরিশ্রম কঠোর অধ্যবসায়। পরীক্ষা দিয়েও চাকরির সুযোগ মেলে গুটি কয়েকজনের। পরীক্ষার পরও পেরোতে হয় বেশ কিছু ধাপ।
উচ্চশিক্ষা যতটা ভালো ঠিক ততটাই কষ্টের। উচ্চশিক্ষা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া খরচা সাপেক্ষ। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের হাত খরচার যোগান করতে হয় শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় দেখা যায় পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের হাত খরচা চালাতে কেউ কেউ পার্টটাইম কাজ করেন আবার কেউ পূর্ণ সময়ের চাকরিও করে থাকেন।
এমনই উদাহরণ দেখা গেল ব্যস্ত শহরের রাস্তায়। নিজের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার জন্য ডেলিভারি বয়ের কাজ বেছে নিয়েছেন এক ব্যক্তি। স্বপ্ন অনেক বড়। স্বপ্ন ছুঁতেই মরিয়া সেই ব্যক্তি। তার জন্য প্রয়োজন কঠোর অধ্যবসায়। নিজের স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই ডেলিভারি বয় (Zomato delivery boy)।
সম্প্রতি, একজন জ্যোমেটো ডেলিভারি বয়ের (Zomato delivery boy) একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সে ভিডিও প্রকাশ্যে আসো মাত্রই নিমেষের ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ডেলিভারি বয় ট্রাফিক জ্যামে আটকে নিজের মোবাইলে ইউপিএসসি পড়াশোনা করতে ব্যস্ত। সামান্য সময় ও নষ্ট করার ফুরশত নেই তার। রাস্তার যানজটে আটকে থাকার সময় দেখে নিচ্ছেন ইউপিএসসির প্রস্তুতিমূলক ভিডিও। যানজটে সময় বাচাচ্ছেন পড়াশোনা করে।
সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে, ৫৭ হাজারেরও বেশি মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন। ডেলিভারি বয়-এর (Zomato delivery boy) কাজ করতে করতে কী ভাবে ওই যুবক ইউপিএসসি-র পড়া চালিয়ে যাচ্ছেন, সে নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। অনেকেই এই ভিডিও দেখে প্রশংসা করেছেন।
ভিডিওটি দেখে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা কমেন্ট সেকশনে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নেট নাগরিকদের মন্তব্য, ‘কঠোর পরিশ্রমের ফল সময়ের জন্যই সীমাহীন’। আবার কেউ লিখেছেন অনুপ্রাণিত। অনুপ্রাণিত হওয়ার মতোই একটি ঘটনা বটে। ডেলিভারি বয়ের পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ দেখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেক মানুষই।





