দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ। চারদিকেই আলো আর আনন্দের সাজ। কিন্তু এই আবহেই ভেসে এল এক চাঞ্চল্যকর খবর। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা যাচ্ছে, উৎসবের ভিড়কে নিশানা করে নাশকতার ছক কষছিল একদল জঙ্গি। ঠিক সময়ে পদক্ষেপ না করলে বড়সড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারত দেশে।
বুধবার গভীর রাতে একযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা ও দিল্লি পুলিশের বিশেষ দল। রাজধানী দিল্লি ছাড়াও দেশের আরও কয়েকটি রাজ্যে অভিযান চলে। এই যৌথ অভিযানে একে একে ধরা পড়ে পাঁচ সন্দেহভাজন। জানা যাচ্ছে, দু’জনকে ধরা হয় দিল্লি থেকে, আর বাকিদের গ্রেপ্তার করা হয় মধ্যপ্রদেশ, হায়দরাবাদ এবং রাঁচি থেকে। তাদের কাছে মজুত ছিল অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম। উদ্ধার হয় রাসায়নিকও, যা সম্ভবত বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য ব্যবহার করা হত।
তদন্তকারী সূত্রে প্রকাশ, দিল্লি থেকে ধৃত দুই সন্দেহভাজনের নাম আফতাব ও সুফিয়ান। দুজনেই নাশকতার প্রশিক্ষণে পারদর্শী, বিশেষত বিস্ফোরক তৈরিতে দক্ষ। এর আগে রাঁচি থেকে একজনকে ধরার পরই তাদের সন্ধান মেলে। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেদিনই একাধিক রাজ্যে হানা দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারীরা মনে করছেন, উৎসবের মৌসুমে জনসমাগম লক্ষ্য করেই তাদের পরিকল্পনা ছিল।
শুধু সরঞ্জামই নয়, ধৃতদের হাতে ধরা পড়েছে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের সূত্র। প্রাথমিক অনুমান, পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গেই অনলাইনে যোগাযোগ রাখছিল তারা। পাশাপাশি ভারতীয় যুবকদের টার্গেট করত এই নেটওয়ার্ক। কিভাবে সেই যোগাযোগ গড়ে উঠছিল এবং কতদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, তা এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রত্যেকটি অ্যাকাউন্ট খুঁটিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছ
আরও পড়ুনঃ Arjun Singh : অর্জুনের বিস্ফোরক মন্তব্যে ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীকে খু*নের প্ররোচনার অভিযোগে সরব পার্থ ভৌমিক!
একই দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঁচ সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গি গ্রেপ্তারের খবরে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। উৎসবের সময়ে এ ধরনের ষড়যন্ত্র বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে। তবে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। আপাতত ধৃতদের জেরা করে আরও তথ্য জোগাড়ে ব্যস্ত তদন্তকারীরা।





