উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার কৈপুকুরের মেয়ে টুকটুকি দাস। হাবরা শ্রীচৈতন্য কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক। তারপর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাকোত্তর পাস করেন তিনি। চাকরি পাচ্ছিলেন না। ‘এমবিএ চাইওয়ালা’র গল্প শুনে তিনিও হাবরা রেল স্টেশনে খুলেছিলেন চায়ের দোকান।
হাবরা স্টেশন চত্বরে চায়ের দোকান খুলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই প্রবল জনপ্রিয়তায় লোকের মুখে মুখে ছড়িয়েছিল ‘এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি’র নাম। সঙ্গে ছিলেন সহকারী চন্দ্রাদিত্য দাস। তবে সম্প্রতি বেশ কিছুদিন বন্ধ ছিল তাঁদের দোকান।
গতকাল ‘এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি’র ফেসবুক পেজ থেকে নতুন ব্যবসার কথা জানিয়েছেন তারা। চাউমিন ব্যবসা চালু করার কথা ঘোষণা করেন সোমবার। চায়ের ব্যবসায় ঠিক মতো লাভ না আসায় দোকান বন্ধ করতে হয়েছিল তাঁদের। তাই শুধু চা নয়, খাদ্যতালিকা আরও বড় করার কথা ভাবছিলেন।
আগামীকালের পোস্টে তাঁরা জানিয়েছেন, চাউমিন এমন একটি খাদ্যদ্রব্য যেটা মানুষের ঘরে দৈনন্দিন ব্যবহৃত হয়। তাঁদের কথায়, বেশ কয়েক মাস ধরে তাঁরা নতুন এই ব্যবসা সংক্রান্ত গবেষণা চালিয়েছেন। এরপরেই চাউমিন ব্যবসার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।





