‘শাস্তি’ দেওয়ার নমুনা! বাঁশ দিয়ে স্থানীয় যুবককে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, তুমুল ভাইরাল ভিডিও, ক্ষোভ বর্ষণ তৃণমূল নেতার উপর

শাস্তি দিতে গিয়ে এক যুবককে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারলেন তৃণমূল নেতা। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এক যুবককে শাস্তি দেওয়ার নামে তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ আসানসোলের কুলটির তৃণমূল নেতা চুনচুন রাউতের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ভাইরাল। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪x৭।

এই ঘটনাটি ঘটেছে কুলটির নিয়ামতপুর ৪ নম্বর ইসিএল এলাকায়। এলাকাটি আসানসোল পুরনিগমের ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। অভিযোগ, সোহন কুইরি নামে এক যুবককে বেধড়ক মারধর করেন তৃণমূল নেতা চুনচুন রাউত। সোহন কুইরির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অন্য পাড়ার এক ছেলেকে নাকি মারধর করেছিলেন। কিছুদিন আগে তৃণমূলের ওয়ার্ড প্রেসিডেন্টকে এমন অভিযোগ জানানো হয়। এরপরই সেই যুবককে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চুনচুন রাউত।

তৃণমূল নেতার ওই যুবককে এভাবে মারধরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তৃণমূল নেতার উপর ক্ষোভ বর্ষণ করেছেন অনেকে। বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি তিওয়ারি টুইটারে এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে তৃণমূলকে তোপ দাগেন। তাঁর অভিযোগ যে রাজ্যে আইনের শাসন নেই। তাই শাসকরা আইন তুলে নিচ্ছেন নিজের হাতে। এদিকে এই ঘটনার পরই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা নিজের ফোন বন্ধ করে দেন। এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া মেলেনি বলে খবর।

https://twitter.com/ChaitaliAsansol/status/1540558865149722626?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1540558865149722626%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Feisamay.com%2Fwest-bengal-news%2Fasansol-news%2Ftmc-leader-from-kulti-allegedly-harassed-a-boy-in-asansol%2Farticleshow%2F92456938.cms

এই ঘটনা প্রসঙ্গে ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট ধর্মদাস সেনগুপ্ত বলেন, “ওই যুবককে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তবে হয়তো আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়াই উচিত ছিল। যুবকের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটা সজনের ডাল দিয়ে মারা হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল, তার জেরেই ওই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে আমি সমর্থন করছি না। আমি বেরিয়ে আসার পর পরিস্থিতি আবার ঠান্ডা হয়ে যায়”।

তবে এই ঘটনার জন্য চুনচুন রাউতের বিরুদ্ধে দল কী পদক্ষেপ নেবে, তা এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। এই বিষয়ে কেউই মুখ খুলতে নারাজ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদ ইন্দ্রাণী মিশ্র চট্টোপাধ্যায়ও কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চান নি।

RELATED Articles