আজ, রবিবার পাহাড়ে রয়েছে জিটিএ নির্বাচন। প্রায় ১০ বছর পাহাড়ে জিটিএ নির্বাচন হচ্ছে। বিমল গুরুংয়ের অনশন, জিএনএলএফ এর আদালতের কড়া নাড়ার পর এবার পাহাড়ে হচ্ছে ভোট। আজ গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএর ৪৫ আসনে ভোটগ্রহণ। ৪৫ আসনের সবকটিতে প্রার্থী দিয়েছে, প্রথমবার লড়ে দার্জিলিং পুরসভায় ক্ষমতায় আসা হামরো পার্টি। তৃণমূল ১০, সিপিএম ১২, কংগ্রেস ৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
এদিকে, এদিন সমতলেও রয়েছে ৬টি পুরওয়ার্ডে উপনির্বাচনও। দমদম পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ড, ভাটপাড়া পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড, চন্দননগর পুরনিগমের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড, ঝালদার ২ নম্বর ওয়ার্ড ও পানিহাটির ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চলছে উপনির্বাচন।
এদিন ভাটপাড়ার ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি ও সিপিএম এজেন্টরা অভিযোগ করেছেন যে সেই ওয়ার্ডের ভোটে চলছে কারচুপি। এদিন ভোট শুরু হওয়ার প্রথম থেকেই নাকি ছাপ্পা ভোট শুরু করেছে তৃণমূল। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী ও দলের প্রার্থীরা ছাপ্পা ভোট করাচ্ছে। ভোটার কার্ড ছাড়াই ভোট হচ্ছে, এমন অভিযোগ করেন বিরোধীরা।
পাহাড়ে নির্বাচনের মধ্যেই গরুবাথান ব্লকে শুরু হয়েছে মশুল ধারে বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে ভোটারদের উপস্থিতিতে সমস্যা তৈরী হচ্ছে। অন্যদিকে, পুলিশি পাহারায় শিলিগুড়িতে চলছে ভোট। এই নির্বাচনকে ঘিরে কোনওরকম অশান্তি যাতে না হয় তার জন্য কড়া নিরাপত্তা ঘেরাটোপে চলছে ভোট।
তবে নিরাপত্তা সত্ত্বেও ফাঁসিদেওয়া ব্লকের চটেরহাট এলাকা থেকে অশান্তির খবর মিলেছে। বহিরাগত দুষ্কৃতি নিয়ে এসে এলাকায় অশান্তি করার অভিযোগ শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নির্দল প্রার্থীর এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, নির্দল প্রার্থী আখতার আলির পোলিং এজেন্ট বুথে ঢুকতে বাধা দেয় শাসকদলের কর্মীরা। এর পাশাপাশি নির্দল প্রার্থী সমর্থক ও ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
নির্দল প্রার্থী সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মারের চোটে একাধিক জনের মাথা ফেটে গিয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে কয়েক জন দৌড়চ্ছেন। আর তাঁদের পিছন থেকে তাড়া করছেন একদল লোক। তাদের হাতে লাঠি রয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই লাঠি হাতে ভোটার এবং নির্দল প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া করেছিল। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।





