Eid 2026: উৎসবের মাঝেই অশনি সংকেত—ঈদের দিনেও খোলা মাঠে নামাজ বন্ধ, কী এমন ঘটছে আরব দুনিয়ায়?

খুশির উৎসব ঈদ—যেখানে আনন্দ, মিলন আর প্রার্থনার আবহে ভরে ওঠে চারদিক। কিন্তু সেই উৎসবের দিনেই যেন এক অদ্ভুত শঙ্কার ছায়া পড়ল মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে। বহু দেশে ঈদের নামাজকে ঘিরে জারি হল একাধিক বিধিনিষেধ, যার জেরে অনেকের মনেই প্রশ্ন—উৎসবের দিনে এমন কড়াকড়ি কেন?

শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ঈদ পালিত হয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, তুরস্ক, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, লেবানন—প্রায় সব দেশেই ধর্মীয় আবহে দিনটি কাটে। মসজিদে মসজিদে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, মানুষ প্রার্থনায় শামিল হয়েছেন স্বাভাবিক নিয়মেই। তবে এবার একটা বড় পরিবর্তন নজরে এসেছে—খোলা জায়গায় বা বড় জমায়েতে ঈদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

সাধারণত ঈদের দিনে খোলা মাঠ বা বড় প্রাঙ্গণে একসঙ্গে নামাজ পড়ার রীতি রয়েছে। কিন্তু এবছর সেই দৃশ্য অনেকটাই অনুপস্থিত। প্রশাসনের নির্দেশে অধিকাংশ মানুষকে মসজিদের ভিতরেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয়েছে। ফলে উৎসবের আমেজ থাকলেও কোথাও যেন একটা চাপা অস্বস্তি কাজ করেছে মানুষের মধ্যে।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ নিরাপত্তা উদ্বেগ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক অঞ্চলে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা বাড়ছে। বিভিন্ন জায়গায় হামলা, পাল্টা হামলার খবর সামনে এসেছে। বড় জমায়েতকে লক্ষ্য করে আক্রমণের আশঙ্কা থেকেই এই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদের মতো দিনে ভিড় বেশি হওয়ায় ঝুঁকিও বেড়ে যায়, সেই কারণেই আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “মনোনয়নে স্ত্রীর জায়গায় কার নাম থাকবে, সেটাই দেখব!” আইনি বিচ্ছেদ হয়নি, তবুও নতুন বিয়ে! ভোটের আগে বাড়ল বিতর্ক, মনোনয়ন পত্রেই ধরা পড়বে সত্যি! হিরণকে কড়া হুশিয়ারি অনিন্দিতার!

তবে সব কিছুর মধ্যেও থেমে থাকেনি উৎসব। মানুষ নিজেদের মতো করে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন, পরিবার ও কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। অনেক দেশে টানা কয়েক দিনের ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু আনন্দের মাঝেও যুদ্ধের আতঙ্ক যেন বারবার মনে করিয়ে দিয়েছে—শান্তির মূল্য ঠিক কতটা।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles