পুরী-তে ঘন্টায় ২০০ কিমি এবং কলকাতাতে ঘন্টায় ১০০ কিমি বেগে আছড়ে পরতে চলেছে ‘ফনী’।

শক্তি বাড়িয়েই চলেছে ‘ফণী’। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর মিলেছে যে আপাতত পুরি থেকে ৭০০ কিমি. দূরে অবস্থান করছে এই ‘ফণী’ নামক শক্তিশালী সাইক্লোনটি। এবং ধীরে ধীরে এটি আরও শক্তি বাড়াচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের আশঙ্কা অনুযায়ী আগামী শুক্রবার দুপুরে এই ঝড় আছড়ে পরতে চলেছে ওড়িশা উপকূলে। যার জেরে প্রবল বৃষ্টির সম্ভবনা তৈরী হয়েছে এই রাজ্যেও।

আরও পড়ুন – ‘ফণী’ তে হলুদ সতর্কতা জারি দিঘা সহ কলকাতাতেও।

 

শুক্রবার এই ঝড়টি যখন ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পরতে চলেছে তখন এই ঝড়টির গতিবেগ পৌঁছে যেতে পারে ঘন্টায় ২০০ কিমি.। যা যথেষ্ট ক্ষতি সাধন করতে পারে। ইতিমধ্যেই তাই সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওড়িশায়। জেলেদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে সঙ্গে খালি করে দেওয়া হচ্ছে উপকূলবর্তী বসতি। উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অপরদিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, পুলিশ, নৌ সেনা, বায়ু সেনা-কেও। বাতিল করা হয়েছে সরকারী কর্মচারীদের ছুটি। উদ্ধার কাজের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রয়োজনীয় বোট৷ এখন প্রশ্ন হলো ওড়িশায় থাবা বসানোর পর এই রাজ্যের উপর কি প্রভাব ফেলতে চলেছে ‘ফণী’?

আরও পড়ুন – ‘ফণী’ সতর্কতা। পর্যটকদের ফেরাতে নতুন স্পেশাল ট্রেন।

আবহাওয়া দপ্তর সুত্রে খবর মিলেছে যে, ওড়িশায় এই ঝড় আছড়ে পরার কিছুক্ষণ পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে শুরু হয়ে যাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি। যার ফলে দীর্ঘ এই তাপপ্রবাহ থেকে কিছুটা রেহাই পাবে শহরবাসী। শনিবারও সারাদিন ধরে চলবে বৃষ্টি৷ এরপর ‘ফণী’ থাবা বসাবে এই রাজ্যেও৷ তবে এই রাজ্যে প্রবেশের সময় কিছুটা শক্তি কমে যাবে ‘ফণী’-র৷ তবুও ঘন্টায় ১০০ কিমি. বেগে ‘ফণী’ আমাদের রাজ্যে বিশেষত উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে থাবা বসাতে পারে৷ সেক্ষেত্রে ২০০৯ সালের ‘আয়লা’ এর মতোই হবে প্রায় এর গতিবেগ, যা যথেষ্টই ক্ষতিকর। বলা বাহুল্য, বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারও৷

RELATED Articles

Leave a Comment