আমেরিকার বিরুদ্ধে এবার করোনার মাস্ক চুরির অভিযোগ আনল জার্মানি

জার্মানি অভিযোগ করেছে, ব্যাঙ্কক থেকে বার্লিনমুখী বিমানে ছিল ২০০,০০০। কিন্তু সেই মাস্কগুলি আর জার্মানিতে গিয়ে পৌঁছায় নি। উল্টে মাস্ক প্রস্তুতকারী সংস্থা ৩ এম এর কাছে পৌঁছে গেছে। এই ঘটনার পর জার্মানি তাদের ‘দস্যু’ আখ্যা দিয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ সচিব আন্দ্রিয়াস গিসেল বলেছেন, ব্যাঙ্কক বিমানবন্দর থেকে ওই মাস্ক আমেরিকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও আমেরিকা অস্বীকার করেছে এই অভিযোগ। ব্যাঙ্ককের মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র বলেছেন ব্যাঙ্কক থেকে নিজেদের দেশে তারা মাস্ক নিয়ে যায়নি। তিনি আরও বলেন, করোনা প্রভাবের সুযোগে এসব মিথ্যা গুজব রটাচ্ছে জার্মানি যাতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অভিমুখ পরিবর্তিত হয়। তবে থাই প্রশাসনের মতামত জানা যায়নি, কারণ সোমবার এ দেশে ছুটি থাকে।

করোনা মাস্কের চাহিদা এখন হুহু করে বেড়ে চলেছে। তবে শুধু জার্মানি নয়, ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলিও বারবারই অভিযোগ করেছে, প্রকৃত ক্রেতার কাছে নাকি করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম পৌঁছতে দিচ্ছে না ওয়াশিংটন। তার মাঝেই সেগুলি চুরি হয়ে যাচ্ছে।

গিসেলের অফিস বলেছে, তারা এখনও বুঝতে পারছে না কীভাবে জার্মান হোলসেলারের অর্ডার দেওয়া অতগুলো মাস্ক মার্কিন মাস্ক প্রস্তুতকারী সংস্থা ৩এম-এর কাছে গিয়ে পৌঁছল। অন্যদিকে ৩ এম সংস্থা জানাচ্ছে , এই ব্যাপারে তাদের কোনও ধারণা নেই।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা মাস্ক চুরির অভিযোগের কোনো উপযুক্ত প্রমান নেই আর তার ফলে এই ঘটনার কোনো সত্যতা প্রমান হয়না। বিশ্বের ধনীতম দেশের বিরুদ্ধে করোনা-মুখোশ চুরির অভিযোগ শুধু জার্মানি করছে তাও নয় মার্কিলমুলুক লাগোয়া অনেক দেশই করছেন।

RELATED Articles

Leave a Comment