ফের বাড়ছে করোনার ঝড়, এই কারণে গতি বুঝে আগেভাগেই দেশের লানঝো শহরে লকডাউন ঘোষণা করল চীন। সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে করোনার ডেল্টা প্রজাতি বেশ ভালোভাবেই মাথাচাড়া দিচ্ছে।
এর আগে চীনের মঙ্গোলীয় অঞ্চলের ইজিন প্রদেশের ৩৫,৭০০ বাসিন্দাকে গত সোমবার থেকেই বাড়ি থেকে বেরোতে বারণ করা হয়েছে। সেই অঞ্চলে করোনার বাড়বাড়ন্ত রয়েছে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের মতে, মঙ্গোলিয়ায় করোনা দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে যা আশেপাশের ১১টি প্রদেশের জন্য ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
আর এবার লকডাউন হল লানঝোতে। এই অঞ্চলে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের বাস। কিন্তু জানা যাচ্ছে, প্রত্যেক ২৯ জনের মধ্যে ৬ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলছে এই অঞ্চলে। এই কারণে চীনা কর্তৃপক্ষের তরফে এই অঞ্চলে বাসিন্দাদের কড়াভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা বাড়িতেই থাকেন। অন্যদিকে, প্রশাসনপকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস, ওষুধপত্র তাদের বাড়িতেই সরবরাহ করা হয়।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের মুখপাত্র মি ফেং জানিয়েছেন যে সেদেশের ৭৫.৬ শতাংশ মানুষকে টিকার সম্পূর্ণ ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এমনকি, তাদের সকলকে বুস্টার ডোজও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন আগে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে চীনের তৈরি টিকা নেওয়ার পরও আরবের বাহরেন অঞ্চলে করোনার সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি, মঙ্গোলিয়া, সিচেলেস এই সমস্ত দেশেও চীনের টিকা নেওয়ার পরও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে।
বেজিং জানায় যে কোনওরকমের শর্ত ছাড়াই নানান দেশে তাদের টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। অ্যাসোসিয়েট প্রেসের তরফে এই বিবৃতিতে বলা হয় যে চীন নাকি ইউক্রেনকে তাদের করোনা ভাইরাসের গতি রোখার জন্য হুমকি দিচ্ছে। এই খবরের প্রেক্ষিতেই উক্ত উত্তর দেয় বেজিং, এমনটাই জানা গিয়েছে।





