আমেরিকা সহ ১০২টি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে সরকার। শনিবার ওয়াশিংটনে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। এ নিয়ে গোটা আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯। আক্রান্তের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।
নিউ ইয়র্কে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইতিমধ্যেই সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করেছে প্রশাসন। নিউ ইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো জানিয়েছেন, শনিবার নতুন করে ১৩ জন সংক্রামিত হয়েছেন। করোনার প্রভাবে দৈনিক জীবনযাপনও ব্যাহত হচ্ছে। খুব প্রয়োজন না হলে রাস্তায় বেরোচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। পড়ুয়াদের বাড়ি থেকেই অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ১৪ মার্চ পর্যন্ত স্কুলগুলো বন্ধ থাকবে।
স্কুলগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রঙ্কসে সালান্টার আকিবা রিভারডেল স্কুল, ওয়েস্টচেস্টার ডে স্কুল ও ওয়েস্টচেস্টার তোরাহ একাডেমি। এ ছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল ও নার্সিং হোমে বাইরে থেকে আসা অতিথিদের প্রবেশাধিকারেও সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সংক্রমণের ভয়ে বিভিন্ন জনসভা, অনুষ্ঠান বাতিল করা হচ্ছে প্রতি দিন। গভর্নর বলেন, করোনাভাইরাস সামাল দিতে নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে।
স্বাস্থ্য সেবাদানকারী কর্মীদের জন্য প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম কেনা হয়েছে।ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি প্রদেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ভার্জিনিয়া, মেরিল্যান্ড, ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া। কানসাস, মিসৌরিতে প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রদেশ ও স্থানীয় প্রশাসনের রিপোর্ট বলছে, গোটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৪০০ জন।





