ফ্রান্সে ইসলাম প্রবর্তনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। দেশের প্রশাসনের সঙ্গে মুসলিম গোষ্ঠীর সংঘাত প্রায়ই লেগে থাকে। এবার এই উগ্র ইসলামকে পোষণ করার কারণে ফ্রান্সের অ্যালনেসে বন্ধ করা হল একটি মসজিদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিনের জানান যে এই মসজিদের ম্যানেজার ও ইমামরা মসজিদে উগ্র ইসলামিক মনোভাবকে পোষণ করে তা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।
জানা গিয়েছে, আগামী ছয় মাসের জন্য এই মসজিদ বন্ধ করা হয়েছে। ডারমানিন আরও জানান যে এই মসজিদ কর্তৃপক্ষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হয়েছে।
ফ্রান্স, ওয়েস্টার্নারস, খ্রিস্টান ও জিউসদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এই মসজিদের বিরুদ্ধে। ডারমানিন নিজের টুইটে লেখেন যে, এই মসজিদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো হয় বলে জানা গিয়েছে। কর্তৃপক্ষের তরফে এও জানানো হয়েছে যে শুধুমাত্র ঘৃণা বা বিদ্বেষ নয়, ফ্রান্সে যাতে শারিয়া আইন লাগু করা যায়, সে বিষয়েও এই মসজিদে আলোচনা হয়।
শুধু এই মসজিদই নয়, এরই সঙ্গে একটি ইসলামিক স্কুলও বন্ধ করা হয়েছে ফ্রান্স কর্তৃপক্ষের তরফে। জানা গিয়েছে, এই স্কুলে সশস্ত্র জিহাদ প্রচার করা হয়। গত বুধবার স্কুলের গেটে একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, যাতে লেখা ছিল, “আগামী নোটিশ পাওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে”।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান যে চলতি বছরের শেষের মধ্যে আরও সাতটি অ্যাসোসিয়েশন বা ধার্মিক স্থান বন্ধ করা হবে। তিনি এও জানান যে প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ এলিস প্যালেসে অফিস নেওয়ার পর থেকে ১৩টি ধার্মিক স্থান বন্ধ করা হয়েছে।
গত ২৫শে অক্টোবর সার্থে গভর্নরেটের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয় যে অ্যালোনেসের এই মসজিদে প্রায় ৩০০ জন লোকের জামাত। উগ্র ইসলামাবাদকে পোষণ করার কারণে আগামী ৬ মাসের জন্য এই মসজিদ বন্ধ করা হল। জানা গিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বিশ্বব্যাপী নেতা বিশেষত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলির তরফে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা হয়েছে।





