করোনা আটকাতে ব্যর্থ, WHO প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে পিটিশনে স্বাক্ষর ১০ লক্ষ মানুষের

বিশ্ব এখন করোনা জ্বরে পুড়ছে। পৃথিবীর হেন দেশ বাদ নেই, যেখানে করোনা তার থাবা বসায়নি। এর প্রভাবে প্রাণ গিয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের। কিন্তু এই মহামারি রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা কী?

দৈনিক বিবৃতি দেওয়া ছাড়া WHO আর কোনও কার্যকারী পদক্ষেপই করেনি। WHO-এর ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস করোনা রুখতে পুরোপুরি ব্যর্থ এবং চীনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এই অভিযোগ তুলেই তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হলেন ১০ লক্ষ মানুষ।

করোনা রুখতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে WHO-এর ডিরেক্টর জেনারেলের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন পিটিশন শুরু করা হয়। যাতে লেখা ছিল, “গত ২৩ জানুয়ারি ২০২০ সালে টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস করোনা ভাইরাসকে মহামারি ঘোষণা করতে অস্বীকার করেন। আমরা সকলেই জানি করোনা ভাইরাসের কোনও চিকিৎসা নেই। সেদিনের পর মাত্র ৫ দিনে করোনার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়ে যায়। আর এর দায় অনেকাংশে টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুসের। তিনি এই ভাইরাসের ক্ষমতাকে গুরুত্ব দেননি। আমাদের মনে হয় টেড্রোস আধানম WHO-এর ডিরেক্টর-জেনারেলের পদে থাকার উপযুক্ত লোক নন। তাই, এখনই তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।”

অনলাইনে এই পিটিশনটিতে এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ সই করেছেন। যতদিন যাচ্ছে সইয়ের পরিমাণ আরও বাড়ছে।

পিটিশনকারীরা আরও বলছেন ,”WHO-এর তো রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্ত টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস চীন যে মৃতের সংখ্যা বলছে, তা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করছেন। কোনও তদন্তেরও প্রয়োজন বোধ করছেন না।”

প্রসঙ্গত, WHO কর্তার বিরুদ্ধে চীনের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এর আগেও উঠেছে। এর আগে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের তাবেদারি করার অভিযোগে এনে বলেন, করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের যে সংখ্যা দেখাচ্ছে চীন তাতে ভুল আছে। আসল তথ্য চেপে গোটা বিশ্বকে ধোঁকা দিচ্ছে তারা। আর চীনের এই অনৈতিক কাজে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মদত আছে। এই অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া সাহায্য বন্ধেরও সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প।

RELATED Articles

Leave a Comment