এবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়াসমিন রশিদ দেশবাসীকে নিদান দিয়েছেন করোনার প্রতিষেধক নিন, কিন্তু সম্পূর্ণ নিজেদের ঝুঁকিতে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতকাল অর্থাৎ সোমবার চীন থেকে এসে পৌঁছেছে সিনোফার্মের তৈরি ভ্যাকসিনের পাঁচ লক্ষ ডোজ। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সেইকথা জাহির করে রীতিমতো আনন্দে রয়েছেন। কিন্তু বেসুরো গাইলেন তাঁরই দেশের এই মন্ত্রী।
সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, রশিদ দেশবাসীকে করোনার প্রতিষেধক নিয়ে পরামর্শ দিতে গিয়ে বলেছেন, ভ্যাকসিনের নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। বিভিন্ন দেশে টিকাকরণের পরে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর কথায়, “সুতরাং, সকলকেই ভ্যাকসিন নিতে হবে নিজেদের ঝুঁকিতে।” সেই সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন, এখনই তাঁর পক্ষে বলা সম্ভব নয়, এই প্রতিষেধক কতদিন কার্যকর থাকবে। সারা বিশ্বে এখনও করোনা থেকে মুক্তির চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবারই পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানে ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছে চীনা প্রতিষেধক করোনাভ্যাক। পাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. ফয়জল খান আল্লাহ্কে শুকরিয়া জানিয়ে বলেন , “আল্লার দয়ায় সিনোফার্ম ভ্যাকসিনের প্রথম ব্যাচ এসে গিয়েছে। চীন ও আরও যাদের জন্য এটা সম্ভব হল তাদের সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই।” এছাড়াও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকা ভ্যাকসিনের ১ কোটি ৭০ লক্ষ ডোজও আসার কথা পাকিস্তানে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ লক্ষ ডোজ মার্চের মধ্যেই এসে যাবে।
পাকিস্তানে গত দু’সপ্তাহ ধরেই দৈনিক সংক্রমণের হার প্রায় ২ হাজার। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ১১ হাজার ৭৮৫। মোট আক্রান্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ।





