সারা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে তখনও পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে তাদের নোংরা মানসিকতা পোষন করা বন্ধ করবে না বলে স্থির করেছে। এই বিষয়ে রিপাবলিক টিভি জানিয়েছে, যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সহযোগিতায় একটি সন্দেহজনক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে । তারা ভাইরাস আক্রান্ত পাকিস্তানী সন্ত্রাসীদের জম্মু ও কাশ্মীরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য ভারতের বিপর্যয় ঘটানো।
সূত্রের খবর অনুযায়ী কাশ্মীরের সুরক্ষা সংস্থাগুলি খবর পেয়ে পাকিস্তান ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রামিত সন্ত্রাসীদের একটি দলকে জম্মু-কাশ্মীর উপত্যকায় পাঠাতে সফল হয়েছে।
সুরক্ষা সংস্থাগুলি প্রাপ্ত খবর থেকে বোঝা যায় যে কাশ্মীর উপত্যকায় লস্কর-ই-তোয়বা সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপ, যারা সম্প্রতি ওই উপত্যকায় প্রবেশ করেছে, তাদের মধ্যে কোভিড ১৯-এর লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। সূত্রের খবরে এও জানা গেছে “তাদের মধ্যের একটি কথোপকথন থেকে বোঝা যায় যে তারা এই সংক্রমনকে কিছু স্থানীয় সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে তাদের করোনভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত করেছে।”
লস্কর-ই-তোয়বা সম্প্রতি পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে তাদের ক্যাডারে নিয়োগ শুরু করেছে, যেখানে পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক করোনা ভাইরাসের কেস ধরা পড়েছে। দলের প্রধান হাফিজ সাইয়িদ নিজে সেখানে গিয়ে মানুষকে চিহ্নিত করে নিয়োগ করছেন যাতে তাদের ভারতের দিকে ঠেলে দেওয়া যায়।
শনিবার পাকিস্তানের করোনা ভাইরাস রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২,৭০৮ এ পৌঁছেছে। আর এই মুহূর্তে তাদের একটাই লক্ষ্য যেভাবেই হোক তাদের দেশের করোনা আক্রান্তদের ভারতে পাঠিয়ে সেখানে সংক্রমনের হার আরো বাড়িয়ে দিতে হবে। যাতে ভারত আরো বিপর্যস্ত হয়ে যায়।
সূত্রের মতামত, “পাকিস্তান তাদের করোনা সংক্রামিত মানুষদের কাশ্মীর উপত্যকায় পাঠিয়ে শুধু ভারতের ক্ষতি চায় তাই নয় তারা নিজের দেশবাসীদের থেকেও মুক্তি পেতে চায়।
জানা যাচ্ছে ২ এপ্রিল ভারতীয় সেনাবাহিনী কুপওয়ারা জেলায় নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাঁচ থেকে ছয়টি অনুপ্রবেশকারী দলের সাথে একটি দলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে। কারণ আইএসআই এই যুদ্ধবিমান এই সন্ত্রাসীদের ভারতের দিকে ঠেলে দিতে মরিয়া ছিল। কারণ তারা আশঙ্কা করছে যে যদি এই সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসী শিবিরগুলিতে বা লঞ্চ প্যাডগুলিতে বেশি সময় ব্যয় করে তাহলে তারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জওয়ান এবং এই জাতীয় শিবির পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের সংক্রামিত করতে পারে। এখনো অবধি প্রায় ৬০০ পাকিস্তানী সেনা মারণ ভাইরাসের শিকার। আর তাদের ঘাঁটি ওই লঞ্চ প্যাডের কাছে যেখানে সন্ত্রাসবাদীরা নিজেদের শিবির ফেলেছে।
সম্প্রতি হিজবুল মুজাহিদিন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কমান্ডার রিয়াজ নাইকু একটি অডিও প্রকাশ করেছেন যা থেকে ধারণা করা যায় যে, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই রোগটি ইতিমধ্যে সন্ত্রাসবাদে প্রবেশ করেছে।





