মুসলিম যুবকের বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন! পাকিস্তানে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন খ্রিস্টান যুবতীকে

পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন ভয়াবহতার আকার নিচ্ছে।
নিপীড়নের মাত্রা যে কতটা তীব্রতর হতে‌ পারে তা ফের চোখে আঙুল তুলে দেখালো একটি ঘটনা।
বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল এক মুসলিম যুবক, তা প্রত্যাখ্যান করেছিল খ্রিস্টধর্মের তরুণী। আর তার শাস্তি স্বরূপ প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হল ওই খ্রিস্টান যুবতীকে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে রাওয়ালপিন্ডির এই ঘটনায় এক অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত যুবতীর নাম সোনিয়া। তিনি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। শাহজাদ নামে এক যুবক তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। পরিবারের কাছে সেই মর্মে প্রস্তাবও পাঠানো হয়। কিন্তু সোনিয়ার পরিবারের তরফে সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়া হয়।
ফয়জন নামে এক যুবকের সঙ্গে সোনিয়ার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে। আর এই প্রত্যাখ্যান সহ্য হয়নি শাহজাদের। প্রস্তাব ফেরানোয় রাস্তাতেই সোনিয়াকে গুলি করে মারল সে। ফয়জনের সঙ্গে বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন সোনিয়া। সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় শাহজাদ।
অভিযুক্ত শাহজাদের মা বিয়ের প্রস্তাব পাঠানোর কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। সঙ্গে এও জানিয়েছেন, সোনিয়ার বাবা-মায়ের তরফে প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা জানিয়েছিলেন, সোনিয়ার অন্যত্র বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাঁদের ছেলে এমন ঘটনা ঘটবে, তা তাঁরা ভাবতেও পারেননি।

এবারই প্রথম নয়, এর আগেও ইমরান খানের দেশে বিভিন্ন ইস্যুতে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করার খবর সামনে এসেছে। গত মাসের ১১ তারিখ ইসলাম ধর্মের সমালোচনা করায় খুন করা হয় মা-ছেলেকে। অভিযোগ, তাঁরা ইসলাম (Islam) ধর্মের সমালোচনা করেছিলেন। তাই তাঁদের উপর হামলা চালায় প্রতিবেশীরা।

RELATED Articles