সুইডেনে(Sweden) যে কোনও ধর্মেরই ধর্মীয় গ্রন্থকে পুড়িয়ে দিলে বা জ্বালিয়ে দিলেও সেই ভাবে বড়ো কোনও আইনি অপরাধ বলে গণ্য করা হয় না। সেই সুইডেনেই এবার ইসলাম সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরান(Quran) জ্বালানোর প্রতিবাদে পুরো শহরকে জ্বালিয়ে দিল দাঙ্গাবাজেরা।
https://twitter.com/SVNewsAlerts/status/1299450566297497601?s=20
এই ঘটনায় ওই দেশে আহত হন বহু পুলিশকর্মী। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫ জন কে। সুইডেনে কোরান পোড়ানোর কিছু ঘন্টার মধ্যেই মালমো(Malamo) শহরকে ঘিরে ফেলে উগ্রবাদীরা। জ্বালিয়ে তছনছ করা হয় পুরো শহর। আর সুইডেনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর থেকেই পুরো ইউরোপ জুড়ে রিফিউজিদের নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
https://twitter.com/SVNewsAlerts/status/1299450566297497601?s=20
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক দল রাইট উইং পার্টি হার্ড লাইন’(far-right political party Hard Line)-এর নেতা রাসমাস পালুডান( Rasmus Paludan ) এক সভায় বক্তব্য রাখার জন্য যাচ্ছিলেন। সেই সময় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া ওই নেতা নিজে ফেসবুক পোস্ট করে জানান দেশ থেকে তাঁকে ২ বছরের জন্য বের করে দেওয়া হয়েছে কিন্তু খুনি ধর্ষকদের দেশে স্বাগত জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে হার্ড লাইনের অন্যান্য কর্মীরা সভায় বিক্ষোভ শুরু করে এবং কোরান জ্বালিয়ে এই ঘটনার প্রদর্শন করে। এই ঘটনার প্রতিবাদেই রাস্তায় নেমে পড়ে উগ্র মৌলবাদী ভিড়। আল্লাহু আকবর স্লোগান দিয়ে সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়ার ছবি ধরা পড়ে ক্যামেরায়।
প্রায় ৩০০ লোকের উগ্র ভীড় শহরকে জ্বালিয়ে দেয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের উপর পাথর ছোড়া হয়। ভিড়ের উগ্রতা এতটাই ছিল যে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছিল, দাঙ্গা তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অবশ্য এখন খবর আসছে যে ১৫ জন দাঙ্গাবাজকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শনিবার পুলিশ জানিয়েছে যে শহর জুড়ে টায়ার, গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল। একইসঙ্গে পাথরবাজি হওয়ার কারণে অনেক পুলিশ কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
ঠিক যে জায়গায় কোরান জ্বালানো হয়েছিল সেই স্থানেই দাঙ্গাবাজরা মূলত উপদ্রব করেছে বলে জানা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে মুসলিম দেশগুলি থেকে আসা রিফিউজিদের (Refugee) নিজেদের দেশে থাকতে দেওয়ার ফলে ভুগতে হচ্ছে। ভারতে যেভাবে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিভন্ন পার্টির আলাদা আলাদা মত, সেইভাবে সুইডেনে রিফিউজিদের নিয়ে বেশ বিতর্ক রয়েছে। তা সত্ত্বেও মুসলিম দেশগুলি থেকে আসা রিফিউজিদের গ্রহণ করার কারণে এই হিংসা ছড়িয়েছে বলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!