ছোট্ট একটা টুইট। আর তার জেরে যেন কার্যত নড়ে গেল গোটা ব্যবসায়ী মহল। বড় ধামাকা আসতে চলেছে। আরও একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে আনতে চলেছে হিন্ডেনবার্গ। এমনই টুইটে জানাল মার্কিন সংস্থা। এবার কার কপাল পুড়বে, তা নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে বেশ চিন্তা বেড়েছে।
আজ, বৃহস্পতিবার সকালে হিন্ডেনবার্গের তরফে একটি টুইট করা হয়। সেই টুইটে লেখা, “আরও একটা রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসবে। এটাও অনেক বড়”।
তবে কার সম্পর্কে রিপোর্ট বা ঠিক কীসের রিপোর্ট? সেই রিপোর্ট কবেই বা প্রকাশ্যে আসবে? এবারেও কোনও দুর্নীতির খোলসা হবে কী না? বা এই রিপোর্টের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগাযোগ রয়েছে কী না? সেই বিষয়ে মার্কিন সংস্থার ওই টুইটে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। তবে সেই টুইটের গোটা নেটদুনিয়ায় বিপুল হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে।
এবার কার কপাল পোড়ার পালা, সেটাই এখন ভাবছেন সকলে। আসলে, সম্প্রতি এই মার্কিন সংস্থার এক রিপোর্টের জেরেই ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির ভাগ্য রাতারাতি বদলে যায়। হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট সামনে আসার পরই আদানি গ্রুপের শেয়ার এতটাই ধসে যায় যে বিশ্বের সেরা ধনকুবেরদের তালিকার প্রথম ৪০-এও নেই গৌতম আদানি। এই রিপোর্টের জেরে আদানি গ্রুপের ক্ষতির হিসাব না মিললেও বিনিয়োগকারীদের যা হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।
হিন্ডেনবার্গের সেই রিপোর্টের জেরে ভারতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব পড়েছে। আদানি গ্রুপকে নিয়ে মার্কিন সংস্থার ওই রিপোর্টকে হাতিয়ার করেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস-সহ নানান বিরোধী দলগুলি। সংসদেও এর প্রভাব পড়েছে। ফলে হিন্ডেনবার্গের ওই রিপোর্ট সার্বিকভাবে গোটা দেশেই প্রভাব ফেলে। সেই কারণে এখন সকলে বিশেষত ভারতীয়রা মুখিয়ে রয়েছেন হিন্ডেনবার্গের পরবর্তী রিপোর্ট আসলে কাকে নিয়ে!





