করোনা সংক্রমণে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হারে পৃথিবীর সব দেশকে পিছনে ফেলে দিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে আমেরািকা যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিশ্ব জুড়ে হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আমেরিকা জুড়ে বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা প্রতিষেধক তৈরির আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সুবিখ্যাত মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা পিএফআইজার ইনক, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন এই প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করল মানব শরীরে। কয়েক মাসের মধ্যেই তৈরি হতে পারে অ্যান্টিবডি ট্রিটমেন্ট, আশা দেখাচ্ছে তাঁরা।
সারা বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে গাইলিড সায়েন্সেস ইনক রেমডেসিভির তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সংস্থা রিজেনেরন জানিয়েছে পরীক্ষামূলকভাবে অ্যান্টিবডি ট্রিটমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে, জুন নাগাদ তা মানবশরীরে প্রয়োগ করে দেখা হবে। সফল হলেই প্রস্তুত হবে অ্যান্টিবডি ট্রিটমেন্ট। যদিও এই পরীক্ষামূলক অ্যান্টবডি ট্রিটমেন্ট সফল হওয়া, না-হওয়া অনেককিছুর উপর নির্ভর করছে। অনেক ঝুঁকিও আছে, জানিয়েছেন রিজেনেরনের সায়েনটিফিক অফিসার।
পিএফআইজার ইনক জার্মানি এক সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে এই গবেষণা চালাচ্ছে। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, ৪ মাসেরও কম সময়ে প্রিক্লিনিক্যাল স্টাডি থেকে হিউম্যান টেস্টিং-এর পর্যায়ে পৌঁছতে পেরেছে তারা।
গবেষকরা জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন এমন মানুষদের উপর প্রথম ৪টি ভ্যাকসিন শট প্রয়োগ করা হয়েছে। জিন নির্ভর প্রযুক্তিতে ভরসা করে এই ভ্যাক্সিন তৈরি হয়েছে, জানিয়েছে মার্কিন সংস্থাটি।
ওই আরএনএ শরীরে ঢুকে কোষকে নির্দেশ করবে ভাইরাল প্রোটিন তৈরির জন্য। যা শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু করবে।
আপাতত ১৮-৫৫ বছর বয়সীদের উপর এই ট্রায়াল হয়েছে। সফল হলে বয়স্কদের উপরও পরীক্ষা করা হবে। এরপর দেখা হবে, এই ভ্য়াকসিন মানবদেহে করোনা ভাইরাসকে ঘায়েল করতে পারে কি না। ৩৬০ জনের উপর করা হয়েছে পরীক্ষা। ফল আসতে-আসতে পরের মাস। আরও কতগুলি মার্কিন সংস্থা আছে ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে।
মডারেনা নামক সংস্থাও আরএনএ-প্রযুক্তির সাহায্যে ভ্যাকসিন তৈরির পথে। তারা গত মার্চই প্রথম ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে দেখেছিল।





