করোনার বিরুদ্ধে আমেরিকার সাথে যৌথভাবে লড়াইয়ের বার্তা দিল চীন

করোনাভাইরাসের ভয়াবহতায় থমকে গেছে সারা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে আমরা একা একা এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবো না, এই রোগকে আমরা কেবল যৌথভাবেই পরাস্ত করতে পারবো এমন বার্তা দিয়েছেন স্বয়ং “হু“। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই যৌথ লড়াই তে নামছেন আমেরিকা এবং চীন । মাার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফোন করে এই অতি সংক্রমক রোগের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিং। চিনের এক সরকারি সংবাদমাধ্যম এই খবর প্রকাশ করেছেন।

এই ভাইরাসের সংক্রমন নিয়ে দুই দেশের মধ্যেই কিছু সপ্তাহ ধরে এক ঠান্ডা লড়াই চলছে। কিন্তু এইবার মানুষের স্বার্থে সেই বাকযুদ্ধকে দূরে সরিয়ে জিনপিং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই রোগ সংক্রান্ত নানান তথ্য এবং মানুষের সুস্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা আমেরিকার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

কার্যত এই ভাইরাসের সংক্রমন চিনের উহান শহরে থেকেই প্রথম ছড়িয়েছিল। এবং সেখান থেকে ধীরে ধীরে তার দাপট শুরু হয় বিশ্বজুড়ে। মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বারংবার এই মারণ ভাইরাসকে ‘চিনা ভাইরাস’ বলে সম্বোধন করেছেন যাতে বেজায় রেগে চান চীনের সরকার। এরইমধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় চিনকে ছাপিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। তাই শুক্রবার দুই নেতার মত বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে এই ভাইরাসের সংক্রমণের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছিলেন বেজিংয়ের বিদেশমন্ত্রকের এক মুখপাত্র। তিনি বলেছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য এই সংক্রমন ঘটেছে। তবু এখন বিশ্বের বিষ সরাতে তারা একত্রিত হয়ে লড়বেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

জিনপিং বলেছেন, চিন-মার্কিন সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রয়েছে। তার আশা তিনি যেমন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তেমনি আমেরিকা দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতিতে সচেষ্ট থাকবে। চিনের কিছু কোম্পানি আমেরিকাকে মেডিক্যাল সরবরাহ ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আশা করা যায় এতে আমাদের ভবিষ্যতের দিনগুলি খুব তাড়াতাড়িই কোরোনা মুক্ত হবে।

আরও অন্যান্য খবর