করোনার বিরুদ্ধে চলছে ভীষণ লড়াই। আর এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাড়ছে মৃত্যু, ছড়িয়ে পড়ছে আশঙ্কা এবং ভয়। এই লড়াইতে এখনও কিছু মানুষ আছেন যারা মাতৃভূমির জন্য নিজের জীবনটুকু দিয়ে দিতে পারে। সেইরকমই এক দেশভক্ত সৈনিক হলেন ভোপালের স্বাস্থ্যকর্মী আশরাফ আলী।
ভোপাল পুরসভায় স্যনিটেশনের দায়িত্বে আছেন আশরফ। একদিন হঠাৎই কর্মরত আশরাফ মায়ের মৃত্যু সংবাদ পান। আর সেই পরিস্থিতিতে সব ছেড়ে বাড়ি চলে যাওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু তিনি হলেন সেই নাছোড় বান্দা সৈনিক যিনি মানুষের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তাই সেই মুহূর্তে নয় বরং পরে নিজের কাজ শেষ করে বিকেলে গোরস্থানে যান।
আশরফ বলেছেন, ‘কোনো মানুষের কাছেই তাঁর মায়ের থেকে বেশি কিছু হয় না। আর তার পরেই আসে মাতৃভূমি। মাতৃভূমির এই সংকটে তাঁকে ছেড়ে যাওয়াটা কি ঠিক? মাতৃভূমিকে ভালোবেসে কিছু আত্মত্যাগ তো করতেই হবে।’
এইরকমই আরো একজন মানুষ হলেন ইরফান খান। ভোপাল পুরসভাতে তিনিও কাজ করেন। সোমবার তাঁর গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটে। তাঁর ডান হাত এবং কলার বোন ভেঙে যায়। বাড়িতে বিশ্রামে থাকার জন্য ডাক্তার তাঁকে পরামর্শ দিলে, তিনি তা উপেক্ষা করেই কাজে আসছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত চোট-আঘাত নিয়ে বিচলিত হওয়ার সময় এটা নয় এখন সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, তাদের সুস্থ্য করতে হবে।’ ভারত মায়ের বুকে তাঁর এই সকল বীর পুত্র আছে বলেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এখনো জারি।





