জিডি বিড়লার আত্মঘাতী ছাত্রীর নিকট হতে মিলল তিন পাতার সুইসাইড নোট।

জিডি বিড়লা স্কুলের শৌচাগারে উদ্ধার হয়েছে দশম শ্রেণির কৃতী ছাত্রী কৃত্তিকার মৃতদেহ৷ শুক্রবার ক্লাস চলাকালীন দুপুরের দিকে সে শৌচাগারে যায়। এরপর প্রায় ৩০ মিনিট কেটে গেলেও তাকে ফিরতে না দেখে সন্দেহ জাগে সবার মনে। তারপরই স্কুলের শৌচাগারে গিয়ে উদ্ধার করা হয় কৃত্তিকার মৃতদেহ।

দেখা যায় যে, মুখে প্লাস্টিক গোঁজা রয়েছে কৃত্তিকার। হাত থেকে বইছে রক্তের বন্যা। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷

 

কৃত্তিকার মৃত্যু সুইসাইড না খুন তা এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। আজ তার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট মিললে বোঝা যাবে মৃত্যুর কারণ৷ তবে গতকাল তার মৃতদেহর পাশে পাওয়া গিয়েছে এক তিন পাতার সুইসাইড নোট৷

সুনিঁপুন ইংরেজিতে দেখা সেই সুইসাইড নোটে কৃত্তিকা লিখে গিছে যে সে আর চাপ সহ্য করতে না পেরেই আত্মঘাতী হয়েছে। পত্রে তার মা বাবার প্রতি কৃত্তিকার অভিমান ধরা পরেছে৷ সঙ্গে উল্লেখ রয়েছে প্রবল মানুসিক চাপ এবং একাকীত্বতার৷ সে লিখেছে বাবা মার সঙ্গে তার যথেষ্টই দূরত্ব ছিল। সঙ্গে ছিল পড়াশুনার জন্য মা বাবার প্রবল মানুসিক চাপ। আর তা সহ্য করতে না পেরেই পৃথিবী থেকে পত্রে বিদায় চেয়ে নিয়েছে সেই ছাত্রী। সঙ্গে লিখেছে যে, যদি কারোর এটা মানতে অসুবিধে হয় যে কৃত্তিকা আত্মঘাতী হয়েছে, তনে যেন সে নিজেকে এটা বুঝিয়ে নেয় যে কৃত্তিকাকে খুন করা হয়েছে। কৃত্তিকার কথায়, “কে বলবে আমি খুন হইনি? “

ফরেনসিক বিভাগের বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা যে প্রবল মানুসিক চাপেই আত্মঘাতী হয়েছে কৃত্তিকা৷ তবে তার মৃত্যুর আসল কারণ কী তা জানা যাবে আজ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পরই।

আরও অন্যান্য খবর