এদিন সকালেই তিনি উপযাচক হয়ে শাসক দলের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন যে কেউ যদি চান তাহলে বিজেপির পার্টি অফিসে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। তিনি তার ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু বিকেলেই ধর্না মঞ্চ থেকে তাঁর ফোন নম্বর ফাঁস করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বঞ্চিতদের উদ্দেশে বললেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ফোন করে ১০০ দিনের কাজের টাকা চাইতে।
অভিষেক এও অনুরোধ করেন যাতে কেউ সুকান্তকে ফোন করে গালিগালাজ না করেন। তিনি বলেন, “ওঁকে সকলে ফোন করুন। ভদ্র ভাবে বলুন টাকা আনিয়ে দেওয়ার কথা। বার বার বলছি, ফোন করে ভদ্র ভাবে কথা বলুন”।
কী বলতে হবে ফোন করে, তাও জানালেন অভিষেক
অভিষেকের বলেন, “আপনারা সকলে এই নম্বরে ফোন করে বলুন, আপনার এত ক্ষমতা, আপনি বললেই টাকা চলে আসবে। তাহলে আপনি দয়া করে আমাদের টাকাটা আনিয়ে দিন। দু’বছর ধরে আমাদের বেতন আটকে আছে”।
এরপরই সুকান্ত মজুমদারের একটি বক্তৃতায় কল রেকর্ড শোনান অভিষেক। যেখানে বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দাবী করেছেন যে ২ হাজার কোটি টাকা প্রস্তুত আছে। তিনি একটা ফোন করলেই ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা চলে আসবে।
সেই সূত্র ধরেই অভিষেকের পরামর্শ, “রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তো বিজেপিতে গেছিলেন। ওঁর কাছে সুকান্তের নম্বর রয়েছে। আমি রাজীবকে বলব। এই নম্বর সবাইকে জানান। ফোন করে বলুন আপনার অনেক ক্ষমতা রয়েছে। ২০ লক্ষ মানুষকে বলব. সুকান্তকে ফোন করতে”। তিনি বলেন, “এই ফোন রেকর্ড করুন। সেই রেকর্ড ফেসবুকে দিন”।
কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল প্রতিনিধিরা। আজ, শনিবার কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি কলকাতায় এসেছেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে জায়গায় তৃণমূল চায়, তিনি সেখানেই তাদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি।
এই বিষয়ে অভিষেক বলেন, “নিরঞ্জন জ্যোতিকে অনুরোধ করব রাজভবনে বৈঠক করুন। আমাদের আপত্তি নেই। আপনাকে ৯৬ ঘন্টার মধ্যে মাথানত করতে হয়েছে। আজ জ্যোতি এসেছে। কাল গিরিরাজ আসবে। পরশু মোদী আসবে। তারপর বাংলার টাকা আসবে”।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!