Amit Shah on SIR: ‘দেশবাসী ভোট দেয় না, বিদেশিদের ভোট হারানোর ভয়ে SIR-র বিরোধিতা’— দাবি অমিত শাহের! মমতা-রাহুলকে তোপ শাহের!

দেশের রাজনৈতিক মহল এই মুহূর্তে এক নতুন বিতর্কের আগুনে জ্বলছে। লোকসভায় ভোটার তালিকা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা সরাসরি রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলেছে। ভোট প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এই বিতর্ক কেবল প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক হিন্দু, বিরোধী দলের কার্যকলাপ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন তুলেছে যে—কার হাতে দেশের ভোটাধিকার থাকা উচিত।

লোকসভায় বুধবারের আলোচনা সভায় শাহ স্পষ্ট করেছেন যে, দেশের ভোটাররা নিজে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি দেখাচ্ছে, তা এখনও পর্যাপ্ত নয়। তিনি বলেন, “কিছু ভোট বিদেশিদের দেওয়া হতো, যা এবার সম্ভব হবে না। আমাদের দেশের সাংসদ ও রাজ্য বিধায়ক নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিদেশিদের ভোটাধিকার থাকা উচিত কি না, আমাদের মতে, থাকা উচিত নয়।” এই বক্তব্যে তিনি বিরোধী দলগুলির দিকে কড়া ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছিলেন যে, দেশের ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এটি অপরিহার্য।

শাহ আরও মন্তব্য করেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যান্য রাজ্যের প্রধানদের নির্বাচনে ভোট হারের পর নির্বাচন কমিশনকে দোষারোপের প্রবণতা বাড়ছে। “আগে শুধু কংগ্রেস করত, এখন ইন্ডিয়া জোটের দলগুলিও এ পথে এগোচ্ছে,” বলেন তিনি। তাঁর মতে, এটি রাজনৈতিক দায়িত্ববোধের অভাবের পরিচয় দেয়। এই বক্তব্য দিয়ে শাহ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমালোচনা করছেন এবং ভোটারদের সামনে একটি স্পষ্ট নীতি তুলে ধরছেন।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তীব্র টানাপোড়েনও সভায় লক্ষ্য করা যায়। শাহ অভিযোগ করেন যে বিরোধীরা এসআইআর নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছেন। রাহুল অবশ্য বলেছিলেন, “গতকাল আমার প্রশ্ন ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে। এর পিছনের চিন্তাভাবনা আমাদের বলুন।” এই চ্যালেঞ্জে উত্তেজনা তৈরি হয়, যেখানে শাহ বলেন, “সংসদে এভাবে বিতর্ক চলতে পারবে না। আমি যে ক্রমে কথা বলব, তা আমি নির্ধারণ করব।”

আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari :‘এটা স্পষ্ট খু*ন!’ জেলের ভিতর থেকে শাহজাহানের ছক— সাক্ষীর ছেলের মৃ*ত্যুকে ঘিরে বিস্ফো*রক দাবি শুভেন্দুর!

শেষ পর্যন্ত, শাহ স্পষ্ট করেছেন যে ভোটার তালিকার সংশোধন বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) শুধুই ভোটাধিকার সুরক্ষার প্রক্রিয়া। বিদেশি ভোটারদের হস্তক্ষেপ দূর করার পাশাপাশি, দেশের সাধারণ নাগরিকের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করা এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য। তিনি জানিয়েছেন, এটি কিছু রাজনৈতিক দলের জন্য ব্যথার কারণ হতে পারে, কিন্তু দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এটাই সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles