পূর্বাভাস আগের থেকেই ছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হল। বড়দিনের পরের দিনই জাঁকিয়ে শীত শহরজুড়ে। ফের নামল তাপমাত্রার পারদ। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে ২৬ ও ২৭ তারিখ ফের একবার নামতে পারে পারদ। সেই কথাই সত্যি হল।
আজ, শনিবার কলকাতা ও কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল অর্থাৎ বড়দিনের দিন কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি কম। আবহাওয়া অফিসের থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, সজকালের দিকে কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা মিলবে ঝকঝকে পরিষ্কার আকাশের।
এই বছর শহরে শীতের দেখা মিলেছে বেশ দেরীতেই। ডিসেম্বর মাস পড়লেও সেভাবে শীতের আমেজ পায়নি শহরবাসী। জাঁকিয়ে শীত কবে থেকে পড়বে এ নিয়ে প্রশ্ন দানা বেঁধেছিল শহরবাসীর মনে। তবে পৌষের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে শহরেও আগমন ঘটল শীতের। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই তাপমাত্রা নামতে শুরু করে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায়, এই বছর শীতের আমেজ একটু কম। তবে করোনা পরিস্থিতিতেও বড়দিন বেশ জাঁকিয়েই পালন করল বাঙালি। জানা গিয়েছে, এবারেও প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছিল চিড়িয়াখানায়। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় সংখ্যাটা কম। এবার হপ্তান্তে ও ছুটির দিনেও দর্শক বেশ ভালোই টানবে চিড়িয়াখানা, এমনটাই আশা রাখছেন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
শীতের দাপট শুরু হয়েছে উত্তর ভারতেও। রাজধানীতে তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ৭ ডিগ্রিতে। পুনেতে তাপামাত্রা ১৩ ডিগ্রি, আহমেদাবাদে ১৮ ডিগ্রি, হায়দ্রাবাদে ১৫ ডিগ্রি, বেঙ্গালুরুতে ১৭ ডিগ্রি, চেন্নাইতে ২১ ডিগ্রি, মুম্বইতে ২১ ডিগ্রির কাছাকাছি। তবে শীতের আমেজ এখনও বেশ কিছুদিন বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।





