দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে অটুট ITBP-র নজরদারি! কোন‌ওভাবেই ক্ষতি করতে পারবেনা চীন, হুঁশিয়ারি কমান্ডারের

ইন্দো-টিবেটান বর্ডারে তীব্র নজরদারির ফাঁক গলে মাছিও ঢুকতে পারবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে পাখির চোখ ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের (ITBP)।দেশের যে কোন‌ও সীমান্ত দিয়েই ফাঁক গলে ভারতে আসার সবরকম চেষ্টা করছে চীনা ফৌজ। এই পরিস্থিতিতে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরে প্রকৃত সীমান্তরেখার কাছে বিপুল উদ্যমে তৈরি রয়েছে জওয়ানরা। কোনও ভাবেই এই অঞ্চলে তাদের চমকাতে পারবে না প্রতিবেশী চীন। শি জিনপিংয়ের দেশকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন আইটিবিপির ৫৫ ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার আইবি ঝা।

কি বলেছেন ওই অফিসার? আজ‌ অর্থাৎ শনিবার সংবাদ সংস্থা এএনআই কে  অফিসার বলেন, “আমাদের কেউ চমকাতে পারবে না। দেশকে রক্ষা করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে আমরা তৈরি রয়েছি সম্পূর্ণভাবে।” ইতিমধ্যেই গত এপ্রিল-মে মাসে লাদাখে আইটিবিপি জওয়ানরা যেভাবে চীনা সেনাকে টক্কর দিয়েছেন, সেকথা মনে করিয়ে দেন কমান্ডার ঝা। তাঁর কথায়, “লাদাখে আমাদের সেনা দুর্দান্ত লড়াই করে নিজেদের শক্তি বুঝিয়ে দিয়েছে। এই অবস্থায় এখানকার  সেনারা আমাকে প্রায়ই বলে লাদাখের মতো এখানেও তাঁরা সুযোগ পেলেই দুর্দান্ত লড়াই করার জন্য মুখিয়ে রয়েছে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গালওয়ান উপত্যকায় চীনা ফৌজের সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষে লড়াই করেছিলেন ITBP’র জওয়ানরাও। পূর্ব লাদাখে ভারতীয় জমিতে ড্রাগনদের প্রবেশ করতে দেয়নি তাঁরা। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে টানা কুড়ি ঘণ্টা তাঁদের লড়াই চালাতে হয়েছিল। আর সেই লড়াই-ই ভিতর থেকে অনুপ্রাণিত করেছে অরুণাচল প্রদেশে মোতায়েন সেনাদেরও। কমান্ডার ঝায়ের কথা অনুযায়ী, সর্বশক্তি দিয়ে লালফৌজকে রুখতে মরিয়া হয়ে রয়েছে তারা। তাওয়াং সেক্টরটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অঞ্চল। ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধের সময় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে এই অঞ্চলের অনেক ভিতর পর্যন্ত প্রবেশ করেছিল চীনা সেনা।

RELATED Articles