SIR : শুরু ভোটার তালিকা সংশোধন! বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন BLO-রা ফর্ম, জানুন কীভাবে পূরণ করবেন সঠিকভাবে!

নতুন ভোটার তালিকা তৈরি হচ্ছে। আবার শুরু হয়েছে ভোটারদের ঘরে ঘরে প্রশাসনের কড়া নাড়া। ভোটারদের উপস্থিতি যাচাই থেকে শুরু করে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা— সব মিলিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নির্বাচনের আগে এই পর্যায়ের গুরুত্ব অনেক, তাই কমিশনও এবার বিশেষ নজর দিচ্ছে গোটা প্রক্রিয়ার উপর।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গেছে এক পরিচিত দৃশ্য। হাতে ফাইল, কাঁধে ব্যাগ— বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বুথ লেভেল অফিসার বা BLO-রা। তাঁদের হাতে রয়েছে এনিউমারেশন ফর্ম, যেটি পূরণ করেই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ সম্পন্ন হবে। কলকাতা, হুগলি, বীরভূম, উত্তর ২৪ পরগনা, শিলিগুড়ি, কোচবিহার— সর্বত্র একই চিত্র। ভোটারদের বাড়িতে পৌঁছে BLO-রা বুঝিয়ে দিচ্ছেন কীভাবে ফর্ম পূরণ করতে হবে, কোথায় কী লিখতে হবে।

এই কাজের জন্য BLO-দের আগে থেকেই বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁরা স্কুলের শিক্ষক বা শিক্ষিকা। ফর্ম পূরণের সময় BLO-রা খুঁটিয়ে দেখে নিচ্ছেন জন্মতারিখ, আধার নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং বাবা, মা, স্বামী বা স্ত্রীর EPIC নম্বর সঠিকভাবে লেখা হয়েছে কি না। একই সঙ্গে ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলে সেই তথ্যও দিতে হবে।

এই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। BLO-রা এখনও পূর্ণ-সময়ের দায়িত্ব পাননি, তাই নিজেদের কাজের পাশাপাশি ভোটারদের বাড়িতে যাচ্ছেন। দিনের যেকোনও সময় BLO বাড়িতে পৌঁছতে পারেন। যদি কেউ বাড়িতে না থাকেন, BLO তিনবার পর্যন্ত আসবেন। না পেলে দরজায় নোটিস টাঙিয়ে ফর্ম রেখে যাবেন।

এই এনিউমারেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক— ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি-র মধ্যে যাদের বয়স ১৮ পূর্ণ হবে, তারাও ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারবেন। তাঁদের জন্য রয়েছে ৬ নম্বর ফর্ম। এরপর ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা এবং ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত তালিকা।

আরও পড়ুনঃ Bihar Election 2025: ‘মা-বোনেদের হাতে নগদ ভোট’? তেজস্বীর নতুন প্রতিশ্রুতি ঘিরে তোলপাড় বিহার, চাপে নীতীশ-এনডিএ সরকার!

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফর্ম পূরণের সময় ভোটারদের উচিত ঠান্ডা মাথায় ও ধৈর্য সহকারে কাজটি করা। ভুল তথ্য দিলে পরে সমস্যা হতে পারে। তাই আধার, জন্মতারিখের প্রমাণ এবং আগের ভোটার কার্ডের কপি সঙ্গে রাখলেই সুবিধা। কমিশনের উদ্দেশ্য একটাই— রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য নাগরিক যেন নির্ভুলভাবে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles