মেট্রো (Metro) চালু হওয়ার ফলে হাওড়া থেকে এসপ্ল্যানেড যাওয়ার বাসে লোক নেই। অধিকাংশ বাস প্রায় খালি। লোকে গঙ্গার তলা দিয়ে এসি মেট্রোর পরিষেবা পেয়ে বাসে উঠতেই চাইছে না। যাত্রীরা ইতিমধ্যেই দাবি তুলছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাওড়া থেকে শিয়ালদা মেট্রো (Metro)পরিষেবা চালু করার। এর ফলে যেখানে এক ট্রিপে ৪৫০০ টাকা উঠত। এখন সেটা নেমে এসেছে ১৮০০ বা ২০০০ টাকায়। সাধারণ মানুষের বক্তব্য আগে বাস ড্রাইভার এর কন্ডাক্টারদের রোয়াবের শেষ ছিল না। যেভাবে ইচ্ছে বাস চালাতো যত ইচ্ছে এ লোক ওঠা তো। কিছু বললেই বলতো অত তারা থাকলে বাস থেকে নেমে ট্যাক্সি নিয়ে নিন। কিন্তু ও যেহেতু এর আগে সাধারণ মানুষের গঙ্গা পেরোনোর প্রধান ভরসা ছিল বাসগুলোই। তাই মানুষকে সমস্ত দুর্ব্যবহার সহ্য করে বা সেই চাপতে হতো। হাওড়া থেকে একটা লঞ্চ বাবুঘাট পর্যন্ত আসে ঠিকই। বাবুঘাট থেকে গাড়ি আরো বেশি ঝক্কি।
এখন মেট্রো (Metro) হাওড়া থেকে এসপ্ল্যানেড রাস্তা খরচ হয় মাত্র ১০ টাকা। বাসায় ও সেই একই টাকা লাগে। কিন্তু বাসে চাপলে বড় বাজারের জ্যাম টপকে পৌঁছাতেই অনেকটা সময় লেগে যায়। তাই মেট্রোতে চড়াই বুদ্ধিমানের কাজ। নিত্যদিনের মেট্রোযাত্রীদের দাবি এবছরের পুজোর আগেই যেন হাওড়া টু শিয়ালদা মেট্রো চালু হয়ে যায়। কারণ এখনও পর্যন্ত হাওড়া থেকে শিয়ালদা যেতে বাসে ঘন্টাখানেকের বেশি সময় লেগে যায় কখনো কখনো। তার সাথে আছে বাস ড্রাইভার কন্টাকটারদের রোয়াব। তবে এখনকার যাত্রীরা কেউ এই মুখ বুজে সহ্য করে নেন না। বিরক্ত যাত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন, এমনিতেই এখন লোক পাচ্ছ না এরপর হাওড়া শিয়ালদা মেট্রো চালু হলে বাসগুলোকে শুধু বিয়ে বাড়িতেই ভাড়া খাটাতে হবে।
এই কথাটা সত্যি। তাই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বাস মালিক থেকে শুরু করে বাস সিন্ডিকেটের কর্মকর্তাদের। কারণ এরাম ভাবে চলতে থাকলে আর বেশ কিছুদিনের মধ্যেই হাওডা বাস টার্মিনাল ফাঁকা হয়ে যাবে। যেমন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ধীরে ধীরে ট্রাম চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এবার কি তবে বাসের পালা? মেট্রোর (Metro) বাড়বাড়ন্তে এবার তবে, মেট্রো রুটগুলিতে বাস চালানো সম্ভব হবে না। লোকে এখন হাওড়া থেকে এসপ্ল্যানেড হয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে পৌঁছে গেছে দমদম কিংবা গড়িয়াতে। এবার হাওড়া শিয়ালদা মেট্রো কানেক্ট হয়ে গেলে শহরের যে কোন প্রান্তে পৌঁছে যেতে পারবে মানুষ।
তবে বাস ড্রাইভারদের বক্তব্য, মেট্রো (Metro) চালু হয় সকাল সাতটা থেকে। আর বন্ধ হয়ে যায় রাত দশটা সাড়ে দশটায়। তাই ভোর বেলার ট্রেন ধরতে বা রাত্রিবেলা বাড়ি পৌঁছাতে ভরসা করতে হবে সেই বাসেই। তবে বাসের চড়াটা কোন সমস্যাই নয়। যুগের সাথে মানুষ টাকার থেকেও বেশি প্রাধান্য দিতে শিখেছে সময়কে। হাতে টানা রিক্সা থেকে যখন প্যাডেল রিক্সা এল মানুষ সেদিকে ঝুঁকেছে। আবার তা থেকে যখন অটো টোটো এলো মানুষ তাতে বেশি চড়তে শুরু করেছে। আজ শহরতলী থেকে গ্রাম সর্বত্রই টোটোর রমরমা। কারণ মানুষ আজ আরামে তাড়াতাড়ি সব জায়গায় পৌঁছাতে চায়। তাই মেট্রো ভাড়া ১০-১৫ টাকা বেশি লাগলেও মানুষ তার খরচা করতে রাজি।
বাস-অটোর মধ্যে সংঘাতটা বেশ কিছুদিনের তবে এবারের বিপদটা আরও বড়। আগামী তিন মাসের মধ্যেই পনেরো বছরের পুরনো সমস্ত বাস তুলে দেওয়া হবে শহর থেকে। ফলে এমনিতেই বাসের সংখ্যা কমে যাবে সারা শহরে। তবে এবার হাওড়া শিয়ালদায় মেট্রো





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!