ফের একবার ঝগড়ার পরিবেশ কলকাতা পুরনিগমের অধিবেশন কক্ষে। এই কয়েকমাস আগেই এমনই এক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল অধিবেশন কক্ষে। এবার ফের ফিরল সেই স্মৃতি। ফের ঝামেলায় জড়াল শাসক ও বিরোধী। আজ, শনিবার কলকাতা পুরনিগমের অধিবেশন কক্ষে এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে অধিবেশনের কাজই বন্ধ হয়ে গেল।
কী এমন ঘটল আজ?
জানা গিয়েছে, আজ, শনিবার অধিবেশন কক্ষে একটু দেরিতেই ঢোকেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ তথা কলকাতা পুরনিগমের কাউন্সিলর শামসুজ্জামান আনসারি। তিনি হঠাৎ করেই বিরোধীদের জন্য বরাদ্দ জায়গায় এসে বসতে যান। সেই জায়গাটি আসলে বিজেপি পরিষদীয় দলনেত্রী মীনাদেবী পুরোহিতের জন্য বরাদ্দ।
শামসুজ্জামান আনসারি এসে সেই জায়গায় বসতে গেলেই শুরু হয় ঝামেলা। বিরোধী দলের কাউন্সিলররা তাঁকে বারবার বলেন যে সেই জায়গাটি মীনাদেবী পুরোহিতের। কিন্তু সেকথায় কোনও আমল দেন নি শামসুজ্জামান আনসারি, এমনটাই অভিযোগ।
এমন অভিযোগ উঠেছে যে শামসুজ্জামান মীনাদেবী পুরোহিতের ডেস্কের উপর রাখা যাবতীয় কাগজপত্র ও বই সব পাশের সিটে রেখে দেন। বিরোধীদের অভিযোগ, শাসক দলের কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিতের কাগজ কার্যত ছুঁড়ে ফেলে দেন। জোর করেই ওই সিটে বসেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ।
সেই সময় বিজেপির সজল ঘোষ, মধুছন্দা দেব, বিজয় ওঝারা তাঁকে বাঁধা দিলেও তিনি তা শোনেন নি বলে অভিযোগ। এরপরই শুরু হয়ে যায় ঝামেলা। বিরোধী বাম ও বিজেপির তরফে চেঁচামেচি করা শুরু হয়। থেমে থাকেন নি তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু ও তপন দাশগুপ্তরাও। দু’পক্ষের মধ্যেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়।
এমন ঝামেলার কারণে অধিবেশনের কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন চেয়ারপার্সন। দু’পক্ষের ঝামেলা থামে না। জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত শাসকদলের কাউন্সিলররাই দু’পক্ষের কাছে গিয়ে হাত জোর করে তাদের চুপ করান। এই ঝামেলার পর শামসুজ্জামান আনসারিকে তৃণমূল কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী নিজের জায়গা ছেড়ে সেখানে বসতে দেন বলে জানা গিয়েছে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!