কলকাতাতে করোনা তো থাবা বসিয়েছেই, কলকাতা সংলগ্ন জেলাগুলোতেও ধীরে ধীরে বাড়ছে করোনার প্রকোপ। উত্তর ২৪ পরগনায় করোনাভাইরাস উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন জায়গাকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে দেখা যাচ্ছে, কলকাতা লাগোয়া দমদম, বেলঘরিয়া, বরানগর, টিটাগড়ে অধিকাংশ ‘কনটেনমেন্ট জোন পড়ছে।
রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনায় সর্বমোট ১১৪ টি জায়গাকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এর তালিকায় রাখা হয়েছে। তার মধ্যে বেলঘরিয়া ও দমদম থানা এলাকায় যথাক্রমে ১৭ এবং ১৮ টি ‘কনটেনমেন্ট জোন’ রয়েছে। বরানগর এবং টিটাগড় থানার অধীনে ন’টি করে এলাকা সংক্রামক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। লেকটাউন থানার পাঁচটি এলাকা ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এর আওতায় রয়েছে।
এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট কলকাতা লাগোয়া এলাকাগুলিতে করোনার প্রভাব বেশি পড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এর সংখ্যা বেশি।
কলকাতা থেকে বেশ কিছুটা দূরে বনগাঁ, অশোকনগর, মধ্যমগ্রাম, সন্দেশখালি এলাকায় অবশ্য ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এর সংখ্যা কম। অশোকনগরে চারটি, বনগাঁয় একটি, মধ্যমগ্রামে দুটি, বসিরহাটে একটি, সন্দেশখালিতে একটি এবং গাইঘাটা থানা এলাকায় একটি ‘কনটেনমেন্ট জোন’ আছে।
এদিকে আবার কলকাতার লাগোয়া হলেও বিধাননগর এবং সল্টলেকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সল্টলেক দক্ষিণ থানার অধীনে চারটি, বিধাননগর দক্ষিণ একটি এবং বিধাননগর উত্তর থানার দুটি জায়গাকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এর তালিকায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও রহড়ায় তিনটি, ভাটপাড়ায় তিনটি, খড়দহে তিনটি এবং নৈহাটির একটি জায়গা কনটেনমেন্ট জোন হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।





