করোনা পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে মিলছেনা মৃতদেহ সরানোর লোকও। দেহ সরানো নিয়ে চলল টানাপোড়েন। ঘটনায় নাম জড়াল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর দিন দেহ মর্গে নিয়ে যাওয়ার পর্যন্ত কর্মী পাননি তাঁরা। একপ্রকার বাধ্য হয়ে পিপিই পরে পরিবারের লোককে সরাতে হয় মৃতদেহ। যদিও এ নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার সূত্রপাত, গত ৬ই মে। অসুস্থ বোধ করেন দমদমের কাশীপুরের রাজাবাগানের এক বাসিন্দা। স্থানীয় চিকিৎসক কলকাতা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। প্রথম থেকেই শ্বাসকষ্ট থাকায় তাঁকে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি নেয় হাসপাতাল। কয়েক ঘণ্টা পরে তাঁর পরিবার জানতে পারে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। যদিও ওয়ার্ড থেকে মর্গে নিয়ে যাওয়ার মতো চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নেই।
পরিবারের দাবি, হাসপাতালে গেলে মৃতদেহ মর্গে সরানোর জন্য রোগীর আত্মীয়দের হাতেই পিপিই তুলে দেওয়া হয়। সেই পিপিই পরেই দেহ মর্গে নিয়ে যায় মৃতের ভাই। সাহায্যের জন্য এক ব্যক্তিকে ভাড়াও করে পরিবার। এমনকী কী কারণে এই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তা নিয়েও ধোঁয়াশায় রাখা হয় ওই মৃত ব্যক্তির পরিবারকে। যদিও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত হাসপাতালের কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
পশ্চিমবঙ্গের করোনা পরিস্থিতি বলছে, বহু ক্ষেত্রেই করোনার মৃতদেহ লোপাটের অভিযোগ এনেছেন বিরোধীরা। করোনায় মৃত্যু হলেও ডেথ সার্টিফিকেট যেন উল্লেখ না করা হয় করোনার নাম এমন অভিযোগও উঠেছে। করোনা যেখানে এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে সেখানে দাঁড়িয়ে কেনও দাদার দেহ মর্গে সরাতে ভাইকেই পিপিই পরতে হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।






