পিপিই-মাস্কের আকাল, বিক্ষোভে পরিষেবা বন্ধ করলেন আরজি করের ২০০ জন জুনিয়র ডাক্তার!

করোনা পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসা ব্যবস্থার কঙ্কালসার চেহারাটা আরও প্রকট হয়ে এবার পিপিই ও মাস্কের দাবিতে কাজ বন্ধ করলেন আরজিকর হাসপাতালের ২০০ জন জুনিয়র ডাক্তার। চিকিৎসকদের অভিযোগ, বার বার বলা সত্ত্বেও চিকিৎসক, নার্স থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ভাবছে না স্বাস্থ্য দপ্তর। এন ৯৫ মাস্ক তো দূর নিয়মিত কোভিড টেস্টও করানো হচ্ছে না তাঁদের। যার জেরেই কাজ‌ই বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা।

এদিকে, বিষয়টি সামনে আসতেই অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য সরকার। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক অতীত বলছে, আগে রাজ্যে পিপিই ও করোনা কিট ও মাস্কের অপ্রতুলতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর বারবার‌ই দায় চাপিয়েছেন মুখ‍্যমন্ত্রী। বহুবার নবান্নে পরিসংখ্যান তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, কেন্দ্র করোনা যুদ্ধে যা সরঞ্জাম দিচ্ছে তা কিছুই নয়। সেই তুলনায় রাজ‍্য সরকার বিশাল পরিমাণ করোনার সরঞ্জাম তৈরির নির্দেশ দিয়েছে।

কিন্তু হাতে মজুত না থাকায় সেই সরঞ্জাম তৈরি করতে হচ্ছে। যা করতে গিয়ে সময় লাগছে। ফলে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যপরিষেবা কারিদের তা দিতে দেরি হচ্ছে। যদিও এই কথা শুনতে নারাজ আরজি করের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, পিপিই, এন ৯৫ মাস্ক ছাড়া এরকম একটা পরিস্থিতিতে কাজ করা মানে মৃত্যুকে আহ্বান করার সমান। তাই ইচ্ছা থাকলেও কাজ থেকে সরে আসতে হয়েছে তাঁদের।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে এখনও সরকারিভাবে মুখ খোলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এতে যে হাসপাতালের চিন্তা বেড়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন অনেকেই।

RELATED Articles

Leave a Comment