৮০ বছরের ঐতিহ্যের ইতি! খাদ্যরসিকদের জন্য দুঃসংবাদ, বন্ধ হচ্ছে কলকাতার বিখ্যাত দোকান পুঁটিরাম

Putiram will close forever: বাঙালির সঙ্গে মিষ্টির একটা আলাদাই সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এবার এই মিষ্টির কারণেই বেশ মন খারাপ আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাসিন্দাদের। কারণ গত তিনদিন ধরেই ঝাঁপ বন্ধ ৪৬/৪, মহাত্মা গান্ধী রোডের ৮০ বছরের পুরনো মিষ্টির দোকান পুঁটিরামের। কানাঘুষো আবার শোনা যাচ্ছে, আর নাকি খুলবেও না এই দোকান (Putiram will close forever)

পুরনো কলকাতার জনপ্রিয় যে সমস্ত মিষ্টির দোকান রয়েছে, সেসবের মধ্যে পুঁটিরামের নাম অন্যতম। এই দোকানের প্রাণহরা, সরভাজা, সরপুরিয়ার জন্য ভিড় করে কত কত মানুষ। আর সেই দোকানটিই চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর শুনে (Putiram will close forever) আমহার্স্ট স্ট্রীটের মানুষ তো বটেই, গোটা কলকাতা শহরের মিষ্টি প্রেমীদের বেশ মন খারাপ।

কিন্তু কেন বন্ধ হচ্ছে এই দোকান (Putiram will close forever)?

গত ৮০ বছর ধরে শহরের খাদ্যপ্রেমী হোক বা মিষ্টিপ্রেমী, সকলকেই রসনাতৃপ্তি জুগিয়ে এসেছে এই পুঁটিরাম। কিন্তু জানা গিয়েছে, এই দোকানের মালিক আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাসিন্দা পরেশ মোদক বেশ অসুস্থ। আর তাঁর একমাত্র ছেলে মুম্বই নিবাসী। ফলে দোকান কে চালাবে? সেই কারণেই এই দোকান পাকাপাকিভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলেন পরেশবাবু (Putiram will close forever)

তবে এসবের মধ্যেও একটা স্বস্তির খবর রয়েছে যে বইপাড়ার সূর্য সেন স্ট্রীটের পুঁটিরাম এখনও চলছে স্বমহিমায়। আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাসিন্দাদের দু’পা হেঁটে শুধু যেতে হবে সেই দোকানে (Putiram will close forever)। অনেকেই আবার গুলিয়ে ফেলেন যে পুঁটিরামের আসলে শাখা ক’টি? এই নিয়ে সূর্য সেন স্ট্রীটের পুঁটিরামের মালিক ইন্দ্রজিৎ মোদক জানিয়েছেন, এই দুই দোকানের মালিকানা আলাদা। কারখানাও আলাদ।

এই সূর্য সেন রোডের পুঁটিরামের বয়স ১০০ বছরের বেশি। আর আমহার্স্ট স্ট্রীটের পুঁটিরামের বয়স এই বছরই ৮০ বছর হয়েছে। ইন্দ্রজিৎ মোদক জানান, ঠাকুরদা জীতেন্দ্রনাথ মোদক আমহার্স্ট স্ট্রীটের দোকানটি যৌতুক হিসেবে মেয়ে-জামাইকে দিয়েছিলেন। সেই থেকেই ওই দোকানের পথ চলা শুরু। কিন্তু সেই ৮০ বছরের পথ চলায় এবার দাঁড়ি পড়ল (Putiram will close forever)

কলকাতার একাধিক ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকান বা খাবারের দোকানই এখন ধুঁকছে (Putiram will close forever)। কী কারণ এর নেপথ্যে? ইন্দ্রজিৎ মোদক বলছেন, “এই প্রজন্মকে ব‌্যবসায় আসতে হবে। তারা যদি শুধু চাকরির সন্ধান করে তাহলে মুশকিল। আমাদেরও তো বয়স হচ্ছে”।

RELATED Articles