প্রথমেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই প্রশ্নই তুললেন রাজ্যপাল সি ভি বোস আনন্দও। ১৪৪ ধারা না মেনেই রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবন সূত্রে খবর, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেই এবার মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি দিতে চলেছেন রাজ্যপাল।
কী বলেছিলেন শুভেন্দু?
অভিষেক যেদিন ধর্নায় বসেন, সেদিনই সেই ধর্না নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। টুইট করে তিনি বলেছিলেন, “রাজভবনের ১৫০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকার কথা। কিন্তু তৃণমূলের প্রতিনিধিরা শুধু যে মিছিল করে রাজভবন পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে তাই নয়, সেখানে ধর্নাও করছে”।
এবার কলকাতায় ফিরে শুভেন্দুর সেই মন্তব্যই শোনা গেল রাজ্যপালের মুখেও। এই প্রসঙ্গ নিয়েই ফের নবান্নকে চাপে ফেলতে পারেন সিভি বোস আনন্দ। জানা গিয়েছে, মুখ্যসচিবকে দুটি কড়া চিঠি লেখা হচ্ছে রাজভবনের তরফে। কীভাবে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ধর্নায় বসলেন অভিষেক, সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে ওই চিঠিতে। এছাড়াও, আরও দু’টি বিষয়েও এই চিঠিতে আলোকপাত করা হবে বলে সূত্রের খবর।
আজই কলকাতা ফিরলেন রাজ্যপাল
আজ, রবিবার সাতসকালে ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্রের বাড়ি হানা দেয় সিবিআই। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনই উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতা ফিরলেন রাজ্যপাল। তিনি জানান যে বঞ্চিতদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। উত্তরবঙ্গ থেকেই রাজ্যপাল বলেছিলেন, “বঞ্চিতদের সঙ্গে কথা বলব। তাঁদের থেকে সরাসরি অভিযোগ শুনব। তার পর শুধু কেন্দ্র নয়, বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত সকল পক্ষের সঙ্গে কথা বলব”।
তবে শহরে পা রেখেই যে তিনি তৃণমূলের ধর্না নিয়ে এমন কড়া কোনও মনোভাব পোষণ করবেন, তা হয়ত অনেকেই ভাবেন নি। এর থেকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের প্রশ্ন, তাহলে কী রাজ্যের বকেয়া টাকার বিষয়ে দ্বিমুখী নীতিই গ্রহণ করছেন রাজ্যপাল?





