করোনার ভয়ে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই সারা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন লক্ষ ও মারা গিয়েছেন প্রায় ১৩ হাজার মানুষ। ভারতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছ্য়জন। কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন চারজন। এমতাবস্থায় শনিবার রাজ্য সরকার কড়া নির্দেশ দিয়েছিল, ২২ মার্চ সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য শপিং মল, বিউটি পার্লার, ম্যাসাজ পার্লার, রেস্তোরাঁ, পানশালা, নাইট ক্লাব, ঘোরার জায়গা, চিড়িয়াখানা, পার্ক সবই বন্ধ থাকবে। কিন্তু রবিবার বেলা বাড়তেই পাল্টে গেল ছবিটা।
কলকাতার অন্যতম বৃহত্তম বিরিয়ানির চেন রেস্তোরাঁ-সহ একাধিক রেস্তোরাঁ খোলা। এমনকি Swiggy, Zomato-র মত ফুড ডেলিভারি অ্যাপগুলিও রমরমিয়ে চলছে। সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে খাওয়ার দোকানগুলি।

যেখানে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে, সেখানে এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ নিয়ে সরব হয়েছেন অনেকেই। রেস্তোরাঁ মালিকদের বক্তব্য, লোকে এইসময় কিনছে তাই তারা খোলা রাখছেন আবার ক্রেতাদের বক্তব্য, বিক্রেতারা দোকান খোলা রাখছেন বলে তারা কিনেছেন। ক্রেতা-বিক্রেতা চাপানউতোরে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনস্বাস্থ্য। এই প্রাথমিক ব্যাপারটি কেউ বুঝতে পারছেন না।
Zomato Swiggy অ্যাপ খুললেই দেখা যাচ্ছে, ছোট থেকে বড় সকল রেস্তোরাঁই প্রায় খোলা। স্বাভাবিকভাবেই রেস্তোরাঁর কর্মীরা নিশ্চয়ই আসছেন, রান্না করছেন, ডেলিভারি পার্সনরাও বেরোচ্ছেন খাবার দিতে এবং ডেলিভারি পার্সনরা অর্ডার নিতে একত্রিত হচ্ছেন বিভিন্ন রেস্তোরাঁর সামনে। এদের জীবনকেও তো ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন রেস্তোরাঁ মালিক-সহ Zomato ও Swiggy কর্তৃপক্ষ। সামান্য মুনাফার জন্য কারোর প্রাণ নিয়ে কি ছিনিমিনি খেলা যায়, এই প্রশ্নই এবার উঠতে শুরু করেছে।
যদিও এই নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য এখনও পর্যন্ত রেস্তোরাঁ বা ফুড ডেলিভারি অ্যাপ-এর বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার খবর আসেনি।





