পুজোর আনন্দের মধ্যে হঠাৎই খানাকুলের শান্ত পরিবেশে ছড়িয়েছে অচেনা উত্তেজনা। স্থানীয়রা বুধবার রাতের ঘটনার কথা শোনার পরই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বাড়ি ফেরার পথে মাড়োখানার তৃণমূল নেতা বরুণ মণ্ডলকে ঘিরে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হয়।
বরুণ মণ্ডল দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ তাকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়। হামলাকারীদের চেনা যায়নি, আর এ ঘটনায় তিনি তীব্র শারীরিক আঘাত পেয়েছেন । স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে কিছুটা উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এবং তাড়াহুড়ো করে আহত নেতাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এখান থেকেই শুরু হয় বিবাদ। তৃণমূলের দাবি, খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের নির্দেশে এলাকায় তৃণমূলের সক্রিয় নেতা হওয়ার অপরাধে হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি দাবি করেছে, বরুণ মণ্ডল মদ্যপ অবস্থায় স্থানীয় মহিলাদের উপর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিলেন। এই অভিযোগ তৃণমূল পক্ষ কঠোরভাবে অস্বীকার করেছে।
বিজেপি দাবি করেছে, এই ঘটনার পর বরুণ মণ্ডলকে জনরোষের মুখে ফেলা হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক আঘাত দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ জমা দিয়েছে, এবং পুলিশ তদন্তে নেমেছে।
আরও পড়ুনঃ Astrology: অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভাগ্যবান রাশি! কর্মজীবনে সাফল্য, জীবনে মিলবে আনন্দ
এই ঘটনার পর খানাকুলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত অবস্থায় রয়েছে। পুজোর পর পুনরায় দুই পক্ষই রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, আর প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে আছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের সনাক্ত করা হবে।





