চলতি বছরেই ৮৩টি তেজস যুদ্ধবিমান আসছে ভারতে, প্রবল চাপে চীন-পাকিস্তান

গত সপ্তাহের শেষেই ভারতে প্রবেশ করেছে রাফাল যুদ্ধবিমান। ফ্রান্সের থেকে কেনা এই যুদ্ধবিমান গুলির ফলে ভারত সামরিক দিক দিয়ে অনেকটাই শক্তিশালী হলো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথম ধাপে পাঁচটি বিমান পাঠিয়েছে ফ্রান্স। দ্বিতীয় ধাপে আরও কয়েকটি রাফাল ভারতে আসার কথা রয়েছে। ভারতের সামরিক পদক্ষেপে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে। সেই হইচইয়ের রেশ মিটতে না মিটতেই জানা গেল চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ৮৩ টি তেজস যুদ্ধবিমান প্রবেশ করবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে, এই যুদ্ধবিমান তৈরি করার জন্য হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স সংস্থাটিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোট ৩৯ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে ভারতের সাথে। রাফাল যুদ্ধবিমান এর মত তেজসও ৯ টন এর কাছাকাছি ওজন বহন করতে সক্ষম। আরও জানা গিয়েছে যে, এই ৮৩ টি তেজসের মধ্যে ৭০ টি ফাইটার জেট এবং বাকি ১০টি হল দুই আসন বিশিষ্ট ট্রেনার ভেরিয়েন্ট।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, এই যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হবে এবং এর কার্যক্ষমতা রাফালের মতই হবে। রাফালের মতো এই তেজস যুদ্ধবিমানটিও শত্রুপক্ষের নজরের বাইরে আঘাত হানতে সক্ষম থাকবে। এর গতি এতটাই বেশি হবে যে শত্রুপক্ষ সহজে কে ধাওয়া করতে পারবে না। এই যুদ্ধবিমানে রয়েছে কম্পাউন্ড ডেল্টা উইং এবং 7 টা হার্ড পয়েন্ট। এছাড়াও আরো অন্যান্য আধুনিক ফিচার রয়েছে এর মধ্যে যেমন, হেলমেট মাউন্টেড সিস্টেম, নাইট ভিশন, মাল্টিমোড রাডার, এছাড়াও রয়েছে বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ মিসাইল ছোঁড়ার বিশেষ ব্যবস্থা। আবহাওয়া যতই প্রতিকূল হোক না কেন এই যুদ্ধবিমান লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম। এছাড়া এরমধ্যে ইজরায়েলি ডার্বি এবং রাশিয়ার ক্লোজ কম্বাট মিসাইল লাগানোর চিন্তাভাবনা চলছে। ফলে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধবিমান যে অপ্রতিরোধ্য একথা বলাই বাহুল্য।

রাফাল আসার পর থেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছে চীন ও পাকিস্তানের মতো ভারতের পড়শি শত্রু দেশগুলো। এবার তেজস এর কথা শুনে তাদের হৃদ রোগ হওয়া অসম্ভব কিছু নয়।

RELATED Articles

Leave a Comment